ইন্দোনেশিয়ায় নির্বাচন বুধবার, প্রার্থী ২ লাখেরও বেশি

image_titleআগামী ১৭ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ায় জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষসহ প্রাদেশিক পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের বেছে নিতে ১৯ কোটি ২০ লাখ ভোটার ভোট দেবেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, একদিনেই অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার আয়োজন পৃথিবীর অন্যান্য সব দেশের চেয়ে বড়।
পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটির নির্বাচনে প্রার্থীই রয়েছেন দুই লাখ ৪৫ হাজার।

প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্টের দুটি পদসহ ইন্দোনেশিয়ার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের ১৩৬টি সদস্য পদে এবং নিম্নকক্ষের ৫৭৫টি পদের জন্য ভোট হবে। একইসঙ্গে দুই হাজার ২০৭ জন প্রাদেশিক সদস্য এবং ১৭ হাজার ৬১০ জন স্থানীয় কাউন্সিলর পদেও নির্বাচন হবে বুধবার। ১৬টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
বহু দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়ার পূর্বদিকে বুধবার সকাল ৭টায় শুরু হয়ে পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলোতে রাত ১টায় ভোটগ্রহণ শেষ হবে। এদিন প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও আইনপ্রণেতাসহ পাঁচ পদে প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে পাঁচটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন ভোটাররা।
এদিকে সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিদেশের মাটিতে ইন্দোনেশীয় মিশনে আগাম ভোট দিয়েছেন হাজার হাজার ভোটার।
১৭ এপ্রিল রাতে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারি ফলপ্রকাশ হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা হবে মে মাসে।
ভোটের প্রচারণায় অর্থনৈতিক নানা ইস্যুতে প্রার্থীদের সরব থাকতে দেখা গেলেও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ইসলামের উত্থানের দিকে হাঁটছে।
রাষ্ট্রপ্রধান পদে প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে স্থানীয় জরিপগুলোতে। ২০১৪ সালে সাবেক জেনারেল প্রবোও সুবিয়ান্তোকে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হন তিনি। একটি ছোট্ট শহরের মেয়র হিসেবে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করা উইদোদো রাজনীতি শুরুর আগে ফার্নিচার বিক্রেতা ছিলেন।
১৭ বছর বয়স হলেই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান ইন্দোনেশিয়ার মানুষ। এবারের নির্বাচনে ৫০ লাখের মতো তরুণ ভোটার থাকায় তাদের চাওয়া পাওয়ার প্রতি বাড়তি নজর দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে দলগুলো।