ভিপি নুরুলের ওপর হামলা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ

image_titleঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলে ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছাত্রনেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী ফরিদ হাসানকে পেটানোর প্রতিবাদ জানাতে এসএম হলে যাওয়ার পর আজ বিকেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নুরুলকে অবরুদ্ধ করেছিল বলে অভিযোগ। বিকেলে এই ঘটনার সময় নুরসহ হলের বাইরে অবস্থানরত শামসুন্নাহার হলের ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ অন্যান্যদের ওপর ডিম ছুড়ে হেনস্তা করারও অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, হামলাকারী ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের শাস্তি ও হল থেকে বহিরাগতদের উচ্ছেদের দাবিতে রাত ৮টার দিকে তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

বামপন্থীরাসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও সেখানে রয়েছেন।
অভিযোগ করে রাশেদ বলেন, গতরাতে ছাত্রলীগের হামলার শিকার ফরিদকে দেখতে আজ বিকেল ৫ দিকে ভিপি নুরুল, সমাজসেবা সম্পাদক আক্তার হোসেনসহ তাদের বেশ কয়েকজন এসএম হলে গিয়েছিলেন। সেখানে হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ তাদের অনুসারী নেতা-কর্মীরা নুরুল ও আক্তারকে একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখেন। তাদের অবরুদ্ধ করে রাখার সময় হল গেটের বাইরে শামসুন্নাহার হল সংসদের ভিপি (স্বতন্ত্র) শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ অন্যান্যদের ওপর ডিম ছুড়ে হেনস্তা করা হয়।
কিন্তু নুরকে অবরুদ্ধ করার কথা অস্বীকার করে এসএম হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তাহসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, নুর যখন প্রতিবাদপত্র নিয়ে এসেছিলেন তখন প্রাধ্যক্ষ হলে ছিলেন না। তাকে চলে যেতে বলা হলেও তিনি স্বেচ্ছায় হলের ভেতরেই ছিলেন। আর ডিম ছোঁড়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, ছেলেদের হলে নারী শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও নুরুল মেয়েদের নিয়ে এসেছিলেন। তাই হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের লক্ষ্য করে ডিম মেরেছে।
গত রাতে হামলার শিকার ফরিদ হাসান হল সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, চাপ সৃষ্টি করে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করে সেসময় তাকে হল থেকে বিতাড়িত করা হয়। সেই ঘটনার সূত্র ধরে গতরাতে এসএম হল সংসদের জিএস জুলিয়াস সিজার ও হল শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে তাকে আবারও মারধর করে রক্তাক্ত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।