কীভাবে যে বছরগুলো কেটে গেল বুঝতেই পারিনি বিপাশা হায়াত

image_titleবাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তিন দিন আগে জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল হায়াত ও শিরিন হায়াতের ঘর আলোকিত করে জন্ম নেন তিনি। শিল্পীর ঘরে জন্ম নিয়ে নিজেও হয়েছেন বহুগুণের অধিকারী। প্রিয় সেই মুখ অভিনেত্রী, নাট্যকার ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াতের জন্মদিন আজ।
১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ তার জন্ম।

দেখতে দেখতে জীবনের ৪৮টি বসন্ত পার করে দিয়ে ৪৯-এ পা দিলেন তিনি। নব্বই দশকের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী অনেক দিন থেকেই অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। তবুও কমেনি তার জনপ্রিয়তা।
সোশ্যাল মিডিয়া তাই বলছে। সারা দিন ফেসবুকে অসংখ্য মানুষ তার ছবি পোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে কেমন কাটছে তার জন্মদিন। জীবনের এতগুলো বছর পার করার অনুভূতিটা তার কাছে কেমন?
বিপাশা হায়াত বললেন, ‘কীভাবে যে এতগুলো বছর কেটে গেল বুঝতেই পারিনি। জীবন হয় তো এমনই; চোখের পলকেই ফুরিয়ে যায়। দেখতে দেখতেই দিন কেটে যায়।’
নিজের জন্মদিন নিয়ে বিপাশা বলেন, ‘জন্মদিনের আলাদা কোনো পরিকল্পনা থাকে না। বরাবরের মতো এবারো আমার দুই সন্তান ও পরিবারের সঙ্গে কাটছে দিনটি। বড় আয়োজনে নয়, স্বামী-সন্তানদের নিয়ে পারিবারিকভাবে ঘরোয়া আয়োজন। অনেকেই ফোন করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান, ভালো লাগে। অনেক অপরিচিত মানুষের ফোনও আসে। জন্মদিনে শুভেচ্ছা পেতে কার না ভালো লাগে আমিও অভিভূত হয়ে যাই।’
খুব ছোটবেলা থেকেই শিল্পের জগতে পথাচলা শুরু হয় বিপাশা হায়াতের।

পড়ালেখাতে ছিলেন ভালো। ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট হতে মাস্টার্স করেছেন তিনি।
নব্বই দশকে বিপাশা হায়াতের উত্থান টিভি নাটকের মধ্য দিয়ে। ক্যারিয়ারে নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অনেক চরিত্রকেই তিনি জীবন্ত করে তুলেছেন। তার অর্জনের ঝুলিতে আছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমনি’তে অভিনয় করে এই পুরস্কার জয় করে নেন তিনি।
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘জয়যাত্রা’ ছবিতেও আজিুজল হাকিমের বিপরীতে অনবদ্য অভিনয় করেন তিনি। এটি পরিচালনা করেছিলেন বিপাশার স্বামী তৌকীর আহমেদ।
অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদের সঙ্গে সুখের দাম্পত্যে দুই সন্তানের জননী বিপাশা। বড় মেয়ের নাম আরিশা আহমেদ, ছোট ছেলে আরিব। সংসার সামলানোর পাশাপাশি বর্তমানে ছবি আঁকা ও চিত্রনাট্য লেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
এমএবি/এলএ/এমকেএইচ