পুরনোকে বাদ দিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি হয় না

image_titleনাম ‌‘পুরনো দিনের গান’ হলেও এখনও নতুনের মতোই শ্রোতাদের বিমোহিত করে চলেছে। ঠিক তেমনই কিছু নন্দিত গান নিয়ে স্মৃতিজাগানিয়া আসর বসেছিল গেল সন্ধ্যায়। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাতে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে এ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে গানের দল ‘জলতরঙ্গ’।ষাট ও সত্তর দশক ছিল বাংলা চলচ্চিত্র সংগীতের স্বর্ণালী যুগ।

অসংখ্য কালজয়ী গান এ সময় জন্ম হয়েছে। এ ছাড়াও সৃষ্টি হয়েছে জনপ্রিয় নানা আধুনিক গান। মূলত সেসব গানগুলোকে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এই আয়োজনে। আধুনিক গান নিয়ে কাজ করছে জলতরঙ্গ। নিয়মিত আয়োজন করে গানের আসর। পাশাপাশি প্রতিবছর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। সংগঠনটির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত হয় ভিন্নধর্মী এই সংগীতানুষ্ঠান। ‘গান হয়ে এলে’ শীর্ষক এ সংগীতানুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদা খান ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তপন।আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘ষাট ও সত্তর দশকের গানগুলো স্মৃতি জাগানিয়া। পুরনো দিনের গান এখন আবার ফিরে ফিরে আসছে, নতুন প্রজন্ম তা শুনছেও আগ্রহ নিয়ে। পুরনোকে বাদ দিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি হয় না। নতুন গান সৃষ্টিতে পুরনো গানগুলো সব সময়ই অনুপ্রেরণা দেবে।’ অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় ‘সুতরাং’ সিনেমার গান ‘এই যে আকাশ, এই যে বাতাস’। মিলনায়তন ভরা দর্শকশ্রোতারাও শিল্পীর সঙ্গে কণ্ঠ মেলায়। গানে গানে যেন মেতে ওঠে গোটা মিলনায়তন।

তার পরের গানগুলোও বেশ জনপ্রিয়। একে একে পরিবেশিত হয় ‘ফুলের কানে ভ্রমর এসে’, ‘পিচ ঢালা এ পথটারে ভালোবেসেছি’। এর পর পরিবেশিত হয় ‘দুটি পাখি একটি ছোট্ট নীড়ে’। একে একে জলতরঙ্গের সদস্যরা পরিবেশন করেন ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘সালাম পৃথিবী তোমাকে সালাম’, ‘যা রে যাবি যদি যা’, ‘গান হয়ে এলে’, নীল আকাশের নিচে আমি’ প্রভৃতি।