এবার হাসপাতালে হামলা

image_titleনিউজিল্যান্ডের হ্যাস্টিংসের একটি হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে একটি হুমকি পাওয়ার পর হকস বে হাপাতালটি বন্ধ করে দেয়া হয়। হুমকিতে কী বলা হয়েছিল বা কে দিয়েছে, তা জানা যায়নি। নিউজিল্যান্ডের একটি নিউজ পোর্টাল এ খবর প্রকাশ করেছে।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, ঠিক কী ঘটেছে, তা জানার জন্য হাসপাতালে গেছে পুলিশসদস্যরা। তবে এখন হাসপাতালটি বন্ধ রয়েছে, সেখান থেকে কেউ বের হতে পারবে না বা কেউ ঢুকতেও পারবে না।এই ঘটনার সাথে ক্রাইস্টচার্চের হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা সে ব্যাপারেও পুলিশ কিছু বলছে না।১৭ মিনিট ধরে হামলার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করে বন্দুকধারী বিবিসিহামলার সেই ভয়াবহ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৭ মিনিট ধরে লাইভ স্ট্রিম (সরাসরি সম্প্রচার) করেছে বন্দুকধারী। সেখানে নিজের পরিচয়ও দিয়েছে সে। জানিয়েছে, তার নাম ব্রেন্টন টারান্ট। বয়স ২৮ বছর। অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত শ্বেতাঙ্গ সে। এরই মধ্যে বেন্ট্রন টারান্ট নামে একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের খবর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানায়, ভয়াবহ হামলার সে দৃশ্য লাইভ স্ট্রিম করে বন্দুকধারী। পরে তা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্দুকধারী বড় একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাস্তায় হাঁটছে, এরপর সে ভবনে প্রবেশ করে এবং গুলি ছুড়তে থাকে। ভয়াবহ ওই ভিডিওটি না ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ। পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ফুটেজের ব্যাপারে তিনি অবগত আছেন। এ ফুটেজ সেখান থেকে সরিয়ে ফেলতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে পুলিশ।

মাইক বুশ বলেন, ‘এটি (হামলার ফুটেজ) পাবলিক ডোমেইনে থাকা ঠিক হবে না’।আইসিটি প্রোভাইডার স্পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিমন মৌটার জানান, ওই ভয়াবহ ফুটেজ বিতরণের চেষ্টাকারী ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করে দেয়ার কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারীদের ছড়ানো সে বিদ্বেষমূলক ফুটেজ বিতরণের চেষ্টাকারী ওয়েবসাইট বন্ধে স্পার্কের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমাদের ধারণা, এতে আমাদের গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাময়িক অসুবিধা হবে।’স্পার্কের মুখপাত্র অ্যান্ড্রু পিরি বলেছেন, প্রযুক্তিকর্মীরা ওই ফুটেজ বিতরণকারী তিনটি প্রাথমিক সাইট শনাক্ত করেছেন। এ ধরনের সাইটগুলো বন্ধে ইন্টারনেট প্রোভাইডররাও একযোগে কাজ করছেন।।