৭ মার্চ মনসুর ও মোকাব্বিরের শপথের আয়োজন

image_titleমঙ্গলবার সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ৭ মার্চ বেলা ১১টায় স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের দুজনের শপথ অনুষ্ঠান হবে। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে কামাল হোসেনের গণফোরামে নাম লিখিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন সুলতান মনসুর।আর মোকাব্বির খান গণফোরামের দলীয় প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে সিলেট-২ আসন থেকে বিজয়ী হন। ওই আসনে ধানের শীর্ষের প্রার্থী না থাকায় বিএনপির সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি।

কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে গত ৩০ ডিসেম্বরের এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয় পায় বিএনপি।নির্বাচনে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে তারা। দলটির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঐক্যফ্রন্ট নেতা কামাল হোসেন শুরুতে তার দলের দুই নেতার শপথের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সুর বদলায়।গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু গত রোববার সাংবাদিকদের বলেন, তারা (শপথ নিতে) গেলে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। দলীয় সিদ্ধান্ত ও আইনগত সিদ্ধান্ত যা নেওয়া দরকার, সেগুলো আমরা নেব। মন্টুর ভাষায়, যারা যাচ্ছে তাদের মাথা খারাপ না হলে …. যেখানে মূল দল বলছে, না যাওয়ার কথা। সেখানে দলের পরিপন্থি হয়ে এই কাজ করবে, এটা গ্রহণযোগ্য না। অন্যদিকে শপথ নেওয়ার বিষয়ে সুলতান মনসুরের ভাষ্য, যারা ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করেছে, তাদের মতামতের গুরুত্ব দিতেই তিনি সংসদে যাচ্ছেন।ডাকসুর সাবেক ভিপি, আওয়ামী লীগের এক সময়ের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার মধ্যে সংস্কারপস্থি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে দলে অপাঙক্তেয় হওয়ার পর কামাল হোসেনের সঙ্গে ভেড়েন।ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর শপথ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে অন্য কোনো দলে যোগ দেননি।।