ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডকে দুই মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়ে সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল

image_titleগত বছর জুলাই-আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু যে সফরে যাওয়ার ২ মাস আগে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডাব্লিউআই) প্রেসিডেন্ট ডেভ ক্যামেরন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, এই দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজনের আর্থিক সংগতি তাঁদের নেই।তবে বিসিবি ঋণ দিয়ে সহায়তা করলে তাঁদের পক্ষে এটি আয়োজন করা সম্ভব বলেও জানান। অন্যথায় সফরটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়ার আভাসও দিয়ে দেন সিডাব্লিউআই প্রেসিডেন্ট।

তাতে নড়েচড়ে বসতে হয় বিসিবিকেও। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঠাসা ও ব্যস্ত সূচির মাঝে স্থগিত হওয়া সিরিজের ঠাই আবার কবে হবে, তারও কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই।ক্যারিবীয় বোর্ডের চাহিদা বিপুল হলেও শেষ পর্যন্ত দুই মিলিয়ন ইউএস ডলার ধার দিয়ে দুই টেস্ট এবং তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে যায় বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের প্রাপ্য বার্ষিক দ্বিতীয় কিস্তির ৪.৫ মিলিয়ন ডলার থেকে বিসিবির সম্মতিতে সিডাব্লিউআইকে দুই মিলিয়ন ডলার দিয়ে দেয় আইসিসি।এই শর্তে যে ২০১৯ সালে ক্যারিবীয় বোর্ডের প্রাপ্য দুই কিস্তির (জানুয়ারি ও জুলাই) প্রতিটি থেকে আইসিসি এক মিলিয়ন ডলার করে কেটে রাখবে। এবং সেই অর্থ জমা করবে বিসিবির কোষাগারে। তবে ধার দিয়ে আতিথ্য নিতে গেলেও বিসিবি যে বিনা সুদে দুই মিলিয়ন ইউএস ডলার দেয়নি, সেটিও নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাহী, স্ট্যান্ডার্ড যে ইন্টারেস্ট রেট, সেটিই এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে।এটিকে বলতে পারেন জেন্টলম্যান অ্যাগ্রিমেন্ট। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিসিবি ৪.৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিয়েছে ক্যারিবীয় বোর্ডকে। যেটি দৈনিক প্রো-রেটা ভিত্তিতে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পুরোটা পরিশোধে সুদের অঙ্ক আনুপাতিক হারে কমবে, নির্দিষ্ট সময়ের পর শোধ করলে আবার বাড়বেও।তবে আগামী জুলাইয়ে নির্ধারিত সময়েই ঋণের পুরো টাকা সুদসহ ফেরত পাওয়ার কথা আছে বিসিবির। গত জুলাইয়ে যে ঋণ না দিলে অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরও অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেঁসে যেত তথ্যসূত্র : কালের কন্ঠ।