খাদ্যাভ্যাসের কারণে ক্লান্তিবোধ

image_titleপুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে খাদ্যাভ্যাসের কারণে ক্লান্তি অনুভব করার কারণ সম্পর্কে জানানো হল।   পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বাদ দিন: সাদা রুটি, পাস্তা ইত্যাদিতে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট থাকে যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে ইন্সুলিনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। ফলে লাগতে পারে অবসন্ন ও দুর্বল।

ক্যাফেইন থেকে দূরে থাকা: ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন- কফি বা চা ইত্যাদি পান করলে শরীরে তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি সঞ্চার হয়। তবে অতিরিক্ত খাওয়া হলে ফলাফল উল্টোও হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।প্রতিক্রিয়াজাত চিনি: প্রক্রিয়াজাত এবং চিনিজাতীয় খাবার উচ্চচর্বি সমৃদ্ধ এবং এতে কোনো পুষ্টিমূল্য নাই। অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই ধরনের শর্করা শরীরে কোনো বাড়তি শক্তি যোগায় না। বরং খাওয়ার চাহিদা আরও বাড়িয়ে দেয়।আর্দ্র থাকা: শরীরকে স্বাভাবিকভাবে কার্যকর রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। মানব শরীরে শতকরা ৬০ ভাগ পানি। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং কোষে পুষ্টি উপাদান সরবারহ করতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।চিয়া বীজ: চিয়া বীজ শক্তি বাড়ায়। এটা আঁশ, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর ও আদর্শ খাবার।সম্পূরক খাবার: প্রাকৃতিক উপাদান থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া না গেলে সম্পূরক খাবার থেকে নির্দিষ্ট পুষ্টি গ্রহণ করা যেতে পারে। অর্থাৎ খাওয়া যেতে পারে ভিটামিন ট্যাবলেট । তবে অবশ্যই তা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।ছবি: রয়টার্স।

আরও পড়ুনক্লান্তি কাটাতে যা খেতে হবে  বেশি ঘুমে ক্লান্তি  লৌহের অভাব: উপসর্গ ও করণীয়  ।