ঠাণ্ডা সারাতে আদার ভূমিকা

image_titleপুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে আদা প্রদাহরোধী উপাদান সমৃদ্ধ। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে আদা দিয়ে বিভিন্ন পানীয় তৈরির কয়েকটা পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল যা সাধারণ ঠাণ্ডা-কাশি উপশমে উপকারী।আদা ও মধুর পানীয়: শরীরে যে কোনো ফ্লু বা সংক্রমণ দেখা দিলে গলা ব্যথাও দেখা দেয়।

এই অবস্থায় কিছু আদা কুচি করে পানিতে ফুটিয়ে তার সঙ্গে খানিকটা মধু যোগ করে পান করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।  আদা গলা ব্যথা কমায়। মধু কাশি ও ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করে। আদা ও তুলসির চা: উপকারী আদার সঙ্গে চার পাঁচটা তুলসি পাতা মিশিয়ে চা তৈরি করুন। প্রথমে এই পানি ফুটিয়ে তাতে অন্যান্য উপাদান যোগ করুন। আদা ও তুলসি একসঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং জ্বরের পাশাপাশি মাথা-ব্যথা ও কাশি থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে।লেবু ও আদার পানীয়: গরম আদার পানিতে লেবুর রস যোগ করে পানীয় তৈরি করতে পারেন। আদা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করদে সাহায্য করে। সাধারণ সর্দি কাশির জীবাণু দূর করতে পারে। অন্যদিকে লেবুতে আছে ভিটামিন সি যা মিউকাস বা শ্লেষ্মা বের করে দিয়ে ব্যথা ও অস্বস্তি থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।তাজা আদা: সরাসরি কাঁচা আদা খাওয়া অনেকেরই অপছন্দ কিন্তু এর ফলাফল অনেক ভালো। ঠাণ্ডা, কাশি থেকে রক্ষা পেতে এভাবে আদা খাওয়া উপকারী। দিনে দুতিন বার খাওয়া হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু খেতে যদি খুব বেশি অস্বস্তি হয় তাহলে তা না খাওয়াই ভালো।আদার গুঁড়া: খাবারে আদার গুঁড়া যোগ করা উপকারী। সর্দি-কাশি উপশমে এটা খুব ভালো কাজ করে।

খাবার রান্নার সময় দুই চা-চামচ আদার গুঁড়া যোগ করুন। স্বাস্থ্যের উন্নতি চোখে পড়বে।আরও পড়ুনযে ভুলে লাগছে সর্দি  ঘন ঘন সর্দি-জ্বর হলে  সর্দি-কাশি শুরুর আগেই থামাতে  ।