ফাল্গুনে বাহারি গহনা

image_titleশাড়ির সঙ্গে প্রায় সব রকমের গহনাই মানিয়ে যায়। তবে এবার গহনার চাহিদায় খানিকটা পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে।প্রতিবাররে মতো সোনালি, রূপালি, মাটি বা ফুলের গহনা নয়। পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাতলা কাঠের তৈরি নানা রকমের আকৃতি গহনা আর পালক ও কুশি সুতায় কাজ করা অলংকার।

এগুলোর মধ্যে কাঠের গহনার চাহিদা সবচেয়ে বেশি।এছাড়াও ময়ূরের পালক দিয়ে তৈরি দুল ও মালা ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কাপড়ের তৈরি ফুলের গহনা, পালকের গহনা, ধাতবের সঙ্গে উল ও কুশি কাজ করা গহনা বেশ দেখা যাচ্ছে। পাতলা কাঠের ওপর নানা রকমের ফুল, ফল, পাখি, প্রজাপতি ইত্যাদির নকশা করা দেখা যাচ্ছে। একই ছাঁচের তৈরি নকশাতে হরেক রকমের রং ব্যবহার করে সাজানো হয়েছে ফাল্গুনের আয়োজন।এই সকল গহনা পেতে হলে চলে যেতে হবে চারুকলা বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরের সামনে। এছাড়াও নানান অনলাইন পেইজ , রঙ বাংলাদেশ , কে ক্রাফট , বিবিয়ানা সহ বিভিন্ন দেশীয় ফ্যাশন ঘরে মিলবে এসব গহনা।হাতে তৈরি এই সব গহনা কেবল শাড়ি নয়, পাশাপাশি সালোয়ার কামিজ বা পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গেও চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়।বাজার ঘুরে এই সকল হাতে রং করা গহনার দরদাম সম্পর্কে জানা যায়।কাজ করা আংটির দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। দুলের দাম ১০০ থেকে শুরু করে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে কাজের পার্থক্যের কারণে এর মূল্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।একই নকশার গহনার সেট পাওয়া যাবে ৩৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।পালকের তৈরি গহনার দাম ৮০ টাকা থেকে শুরু। এছাড়াও কাপড়ের তৈরি গহনা পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি জোড়া দুলের দাম ৫০ টাকা থেকে শুরু।

গাউসিউয়া , নিউমার্কেটে ধাতব গহনার সেট পাওয়া যাচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকার মধ্য।সাধ্যের মধ্যে পছন্দের গহনা কিনতে চাইলে গাউসিয়া ও নিউমার্কেট ভালো সমাধান।ছবির মডেল: সুমি সাবহা। ফটোগ্রাফার: মারুফ। ছবি সৌজন্যে: রঙ বাংলাদেশ।।