নয় মাস পর ‘ডেঙ্গুহীন’ দিন

image_titleস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের কোনো হাসপাতালে কোন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিতে আসেননি। গত ২৬ এপ্রিল থেকে প্রতিদিনই কোনো না কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু ২৬ এপ্রিলের পর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেননি, যা নয় মাসে প্রথম।

ফিরে দেখা ২০১৯: মশা ভয়ঙ্কর ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর ২০১৯ সালে মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা- সব দিক দিয়ে রেকর্ড হয়েছে।গেল বছর বর্ষা মওসুমের শুরুতেই ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়, রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতালগুলোকে। বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালগুলোর মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিলেও সারা দিন অপেক্ষার পরও বেসরকারি হাসপাতালে ঠাঁই পাননি অনেক মানুষ।এই অবস্থায় সমালোচনার মুখে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এইডিস ইজিপ্টি মশা নিধনে নানা উদ্যোগ নেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তবে এরমধ্যে ঢাকার বাইরে জেলায় জেলায় ডেঙ্গু দেখা দেয়, যার জন্য এইডিস গণেরই আরেক ধরনের মশাকে দায়ী করা হয়।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতেই ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়েছে, যদিও দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে আরও অনেক মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছে।ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।শীত মওসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে যায়, তারপরেও এ বছর মশাবাহিত প্রাণঘাতী এই রোগ অব্যাহত ছিল জানুয়ারির প্রথমার্ধ পর্যন্ত।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার তথ্য মতে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ২৬ জন এবং অন্যান্য বিভাগে তিনজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।।