শেইভের কারণে জ্বালাভাব থেকে বাঁচতে

image_titleসঠিকভাবে শেইভ না করলে ত্বকের যেমন ক্ষতি হয় তেমনি দাড়ি ওঠার ধরনও বদলে যায়।এসব সমস্যা এড়াতে ও ত্বক ভালো রাখতে শেইভ করার সঠিক উপায় সম্পর্কে জানানো হল ত্বকবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে।গরম পানিতে গোসল: ত্বক ও চুল নরম অবস্থায় থাকলে শেইভ করতে সুবিধা হয়। তাই শেইভ করার পরিকল্পনা থাকলে আগে কুসুম গরম পানিতে গোসলে করে নিন।

গরম পানি ত্বক ও চুল নরম করে এবং রেইজরের কারণে হওয়া জ্বালাপোড়া ভাব থেকে রক্ষা করে।গোসল না করতে চাইলে শেইভের আগে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ও দাড়ি ভালো মতো ভিজিয়ে নিতে পারেন।লেদার আপ: শুষ্ক অবস্থায় শেইভ করা হলে ত্বকে জ্বলুনি ও রেইজর বাম্প য়ের সৃষ্টি হয়। তাই শেইভ করার আগে ত্বক প্রস্তুত করা উচিত। ভালো শেইভিং ক্রিম ব্যবহার এবং ত্বক দুয়েক মিনিট ধরে ভালো মতো মালিশ করুন। এতে ত্বক মসৃণ হয় এবং শেইভ করা অপেক্ষাকৃত সহজ ও নিরাপদ হয়।রেইজর পরিবর্তন: সময় মতো রেইজর পরিবর্তন করা প্রয়োজন। পুরাতন রেইজর ত্বকে অস্বস্তি, র‌্যাশ এবং ছোট ক্ষতের সৃষ্টি করে। এমনটা দেখা দিলে বুঝতে হবে রেইজর পরিবর্তনের সময় হয়েছে।  শুধু তাই নয়, যদি নতুন রেইজরও ত্বকের এমন ক্ষতি করে তাহলে বুঝে নিতে হবে সেটা আপনার জন্য উপযুক্ত না।সঠিক দিক অনুসরণ: ত্বকের এক এক অংশে লোমের বৃদ্ধির দিক এক এক রকম। তাই দাড়ির বৃদ্ধির দিক অনুযায়ী রেইজর ব্যবহার করলে তা জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা করে। উল্টা দিকে রেইজর ব্যবহার করলে ত্বকে জ্বালাভাবের সৃষ্টি হয়।চাপ প্রয়োগ না করা: চাপ দিয়ে শেইভ করা হলে জ্বালাভাবে সৃষ্টি করে। তাই শেইভ করার সময় কম চাপ প্রয়োগ করুন। আর কোমলভাবে শেইভ করুন।

একটানে শেইভ না করে বার বার অল্প অল্প করে শেইভ করে নিন।ধোয়া ও পুনরায় শেইভ করা: শেইভ করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ব্লেড পরিষ্কার কিনা। দুএকবার টান দেওয়ার পর ব্লেড গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। ব্লেডে আটকে থাকা দাড়ির কারণেও অনেক সময় শেইভ করতে অসুবিধা হয়, ত্বক যায় ছিলে। শেইভ করার পরে ত্বক ভালো মতো পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।ছবি: রয়টার্স।আরও পড়ুনঅভ্যাসে ব্রণের সমস্যা  রেজর ব্যবহারে লক্ষণীয় বিষয়  মুখের লোম কামাতে চাইলে  দাড়ি সামলানোর উপায়অবাঞ্ছিত লোম দূর করার সহজ উপায়  ।