ঠাণ্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে ৪ হাজার মানুষ

image_titleস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার রোববারের হিসাব অনুযায়ী, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ ও জ্বরে দেশের বিভিন্ন জেলার মোট চার হাজার ১৯০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক  ডা. আয়শা আক্তার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ৭০১ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে, ১ হাজার ৭৩৩ জন ডায়রিয়ায় এবং ১ হাজার ৭৫৬ জন আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ ও জ্বরের চিকিৎসা নিয়েছেন।শীতের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া এবং বড়দের অ্যাজমার প্রকোপ বেড়ে গেছে; হাসপাতালের বহির্বিভাগেও বেড়েছে রোগীর চাপ।শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এসব রোগে আক্রান্ত ৭১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চিকিৎসকদের শঙ্কা, শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে আরও রোগীর চাপ আরও বাড়বে।ফাইল ছবি উত্তরাঞ্চলে মৌসুমের চতুর্থ দফার শৈত্যপ্রবাহে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। রোববার প্রায় সারা দিন দেশের বেশিরভাগ এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় ঠাণ্ডা অনুভূত হয়েছে বেশি।ফাইল ছবিআবহাওয়া অফিস বলছে, এ আবহাওয়া কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবারও থাকতে পারে কুয়াশার দাপট। দেশের কোথাও কোথাও বিকাল পর্যন্ত শীতের এই অনুভূতি বজায় থাকবে।কনকনে শীতে ঠাণ্ডজনিত রোগ-বালাই মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিভিন্ন জেলায় মাইকিং করে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়শা আক্তার। শীত থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরারও পরামর্শ দিয়ে আসছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ঠাণ্ডাজনিত রোগে মারা গেছেন ৫৪ জন। আর আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন।।