শীতজনিত রোগে আক্রান্ত কয়েক লাখ

image_titleস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার হিসাব অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।এসময়ের মধ্যে ডায়রিয়ায় একলাখ ২৫ হাজার ৬৫৩, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের শিকার ৫০ হাজার ৭৮৬ এবং জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ ও জ্বরে আক্রান্ত ১ লাখ ৪১ হাজার ১০ মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।মৃতদের মধ্যে ৪ জন ডায়রিয়ায়, ১৭ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ও অপর ৩০ জন অন্য জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন।হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী ডা. আয়শা আক্তার রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এবার ডিসেম্বরে শীত জাঁকিয়ে বসায় রোগে আক্রান্ত হয়েছেন মানুষ।

তবে জানুয়ারিতে আক্রান্তের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়ার কথা বলেছে আবহাওয়া অফিস। এজন্য প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরা, খাওয়ার দাওয়ার সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে শীতের রোগ আক্রান্ত করবে কম। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে রয়েছে রোগীদের চাপ। ডায়রিয়া, ব্রংকাইটিস ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভিড় করছেন।ডিসেম্বরের শেষের দিকে খুলনা শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগ নিয়ে চিকিৎসা সেবা নেয় প্রতিদিন গড়ে ২৫০ জনেরও বেশি শিশু ।এবার পৌষের শুরুতেই দুইটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে। আর জানুয়ারির শুরুতেই দেশজুড়ে বৃষ্টি হওয়ায় শীত আরও বাড়ার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।পূর্বাভাসে তারা বলছে, চলতি জানুয়ারি মাসে সারা দেশে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে সোমবারের পরপর একটি, মাসের মাঝামাঝি সময়ে ও শেষ সপ্তাহে আরেকটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান।এদিন রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া ও রাজারহাট এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।।