রোগ নির্ণয়-ডায়ালাইসিস পিপিপির আওতায় আনতে চায় সরকার

image_titleএ উদ্যোগের প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন দিতে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), পিপিপি কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা, পিপিপি কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক মো. আবুল বাসার ও এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হল। আমরা দেখেছি প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন আছে ডায়ালাইসিস এবং ডায়াগনোসিস সার্ভিসের।

তিনি বলেন, আমরা তাড়াতাড়ি কী করতে পারি এবং দীর্ঘ মেয়াদী কী করতে পারি সেটার উদ্দেশ্যে একটা অ্যাসেসমেন্ট হবে। সেই অ্যাসেসমেন্টটা করবে এডিবির একটি টিম। এই মাসের মধ্যে অ্যাসেসমেন্টটা হলে ঢাকা শহরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মুগদা হাসপাতাল, কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং মিটফোর্ড হাসপাতালে করা হবে। ডায়াগনোসিস ও ডায়ালাইসিস সেবা পিপিপি হতে পারে কিনা, হলে লাভজনক হবে কিনা, প্রয়োজন আছে কিনা- এই অ্যাসেসমেন্টগুলো করার পর আমরা খুব তাড়াতাড়ি পার্টনারশিপে যাব। এডিবির সহযোগিতায় হেলথ সেক্টরে পিপিপিতে আরও কী কী কাজ হতে পারে, সে বিষয়েও সমীক্ষা করা হবে জানিয়ে আসাদুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র ডায়াগনোসিস কিংবা ডায়ালাইসিস না, অন্যান্য ক্ষেত্রে কমিউনিটি হেলথ, প্রিভেনটিভ সার্ভিসেস, ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস, মেইনটেনেন্স সার্ভিসেস কী কী হতে পারে সেই বিষয়েও আমরা ভবিষ্যতে অ্যাসেস করে দেখব। যেসব বিষয়ে পিপিপি করলে লাভজনক হবে, সরকারের ব্যবস্থাপনার তুলনায় ভাল ব্যবস্থাপনা হবে, খরচ সাশ্রয়ী হবে, সেসব বিষয়ে আমরা আস্তে আস্তে পিপিপি করব। সেই উদ্দেশ্যেই আজকে প্রথম যাত্রা, প্রথম এমওইউ স্বাক্ষরিত হল। অ্যাসেসমেন্টের পর পার্টনার খোঁজা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বলেন, সেটা এডিবি হতে পারে, অন্যান্য বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হতে পারে। সেটার জন্য গাইডলাইন হবে, কোন কোন শর্তে আমরা তাদের সঙ্গে এগ্রি করব, সেগুলো তৈরি করা হবে। সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ও সচিব মুহাম্মদ আলকামা সিদ্দিকীসহ অন্যান্য কর্মতকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।।