বেশি ঘুমানোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

image_titleপ্রতিদিনের ঘুমের চাহিদা মেটানো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নির্ভেজাল ও পর্যাপ্ত ঘুম মন মেজাজ ভালো রাখে, কর্মক্ষমতা বাড়ায়, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।সাধারণত পর্যাপ্ত ঘুমের হিসাব ধরা হয় দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা। তবে এর বেশি ঘুমালে কী হয়? স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানানো হল বিস্তারিত।

ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড য়ের গবেষণা অনুযায়ী, যত বেশি ঘুমানো হবে, স্বপ্ন ততই উদ্ভট হবে। ৮৪৬ জন মানুষ অংশ নেন এই গবেষণায়, যেখানে গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেন তাদের ঘুম ও দুঃস্বপ্ন দেখার মাত্রা।ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন প্রতি সপ্তাহে দুঃস্বপ্নের শিকার হয়েছেন। আর যারা মানসিক চাপে ভুগছেন তাদের দুঃস্বপ্ন আরও বেশি ভয়াবহ। গবেষকরা দেখেন, যারা প্রতিরাতে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমান তারা অন্যান্যদের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি দুঃস্বপ্ন দেখেন। শুধু তাই নয়, যারা সাত ঘণ্টার কম ঘুমান তারাও আজগুবি স্বপ্ন দেখেন।পাশাপাশি স্বপ্নের উপর মদ্যপানের প্রভাবও পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা। দেখা যায়, অ্যালকোহলে থাকা ইথানল ঘুমানোর সময় চোখের নড়াচড়া বাড়ায়। আর একারণেই যারা রাতে ঘুমানোর আগে মদ্যপান করেন তারা সারারাত কোনো স্বপ্ন নাও দেখতে পারেন। আর যদি দেখেন তবে তা বেশ গভীর প্রভাব রেখে যাবে।তাই ঘুমাতে হবে কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘণ্টা, তবে নয় ঘণ্টার বেশি নয়।ছবি: রয়টার্স।আরও পড়ুনউদ্বেগ কমাতে গভীর ঘুম  ওজন কমাতে যতক্ষণ ঘুম প্রয়োজন  যে কারণে সকালে ঘুম থেকে ওঠা কঠিন  কতক্ষণ ঘুমাবেন দুপুরে  ঘুমের অভ্যাস ঠিক করতে  ।