বায়ুদূষণে একবছরেই ৪ লাখ ইউরোপীয়র অকাল মৃত্যু

image_titleবুধবার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে পরিবেশগত দিক দিয়ে মানব স্বাস্থ্যের উপর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বায়ু দূষণ। ইউরোপের শহরগুলোতে বাস করা প্রায় প্রতিটি মানুষই এ বায়ুদূষণের শিকার।ইউরোপীয়ান এনভায়রনমেন্ট এজেন্সি (ইইএ) এর বায়ুর মান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আলবার্তো গঞ্জালেজ ওর্টিজ বলেন, যদিও ইউরোপের নগরীগুলোতে বাতাসে বিপদজনক বস্তুকণার মাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করেছে। তবে যতটা দ্রুত তা কমার কথা ছিল তত দ্রুত কমছে না।

তিনি বলেন, আমরা এখনো ইইউ এর মানদণ্ডে পৌঁছতে পারিনি। অবশ্যই আমরা এখনো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়া নিরাপদ মান থেকে অনেক দূরে রয়েছি। ইইউভুক্ত দেশগুলোতে এ সংক্রান্ত আইন প্রনয়নের পরামর্শও দিয়েছেন ওর্টিজ। তিনি বলেন, বাতাসে বিশেষ করে নগরে দূষণের মাত্রা এবং দূষণ কোন পর্যায়ে গেছে, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে আইন প্রণয়ন করতে হবে।গত জুলাইয়ে ইউরোপীয় কমিশন স্পেন ও বুলগেরিয়ার বিরুদ্ধে ইইউর কোর্ট ও জাস্টিসে নালিশ জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, দেশ দুটিতে বায়ু উচ্চমাত্রায় দূষিত এবং সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তারা নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য সরকার পরিবেশ নিয়ে নতুন একটি বিল প্রস্তাব করেছে। ওই বিলে বাতাসে মিহি বস্তুকণার পরিমাণ হ্রাস এবং যেসব গাড়ি এখনো মাত্রাতিরিক্ত দূষণ ছড়াচ্ছে সেগুলোর উৎপাদক কোম্পানিকে বাজার থেকে গাড়িগুলো তুলে নিতে বাধ্য করার কথা বলা হয়েছে।নগরীতে বায়ু দূষণ বিশেষ করে নাট্রোজেন ডাইঅক্সাইড ছড়িয়ে পড়া রোধে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন ওর্টিজ।তিনি বলেন, যখন আমরা দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করছি; তখন একইসঙ্গে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তন, শব্দ দূষণ এবং আরো স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের প্রচার চালানোর লড়াইও চলছে। ।