তুলনার সময় সীমাবদ্ধতাও মনে রাখতে হবে: স্পিকার

image_titleবৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বাংলাদেশ ফার্মাসি কাউন্সিল আয়োজিত গুড ফার্মেসি প্র্যাকটিস (জিপিপি) ইন হসপিটাল ফার্মেসি সেটিং অব বাংলাদেশ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।শিরীন শারমিন বলেন, আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা অনেক সময় বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার তুলনা করি। কিন্তু এ কথাটা মনে রাখতে হবে, আমরা অত্যন্ত জনবহুল দেশ।

আমরা কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। কাজেই তুলনা করার সময় অন্য দেশের জনসংখ্যার অনুপাত, আমাদের জনবহুল অবস্থা দেখতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ২১ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে সরকার বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।বাংলাদেশ অনেক সীমাবদ্ধতার উত্তরণ ঘটাতে পেরেছে মন্তব্য করে শিরীন শারমিন বলেন, আমাদের দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক, তারা অনেক মেধাবী ও দক্ষ। ফার্মাসিস্টরাও ওষুধের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণাসহ বিভিন্ন কাজে ভূমিকা রাখছেন। আমাদের দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ ওষুধ দেশেই উৎপাদিত হয়, আমি এমন বক্তব্য দিতে পেরে গর্বিত। এই কৃতিত্বের দাবিদার আমাদের দেশের নিবেদিত ফার্মাসিস্টবৃন্দ। শুধু তাই নয়, বিশ্বের অনেক দেশে আমরা ওষুধ রপ্তানি করি। চিকিৎসকদের সাফল্য দেশকে গর্বিত করে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোতে দক্ষ ফার্মাসিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে ওষুধ নিয়ে বিভ্রান্তি ও ওষুধের ভুল প্রয়োগের হার কমিয়ে আনা সম্ভব। বাংলাদেশ ফার্মাসি কাউন্সিলের সভাপতি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস এ কে আজাদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক  ইসমাইল খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহিদুল্লাহ শিকদার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বক্তব্য দেন।।