সহকর্মীর সঙ্গে ঝগড়া মেটানোর উপায়

image_titleকর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হতেই পারে। বাঁধতে পারে দ্বন্দ্ব, ঝগড়া। এই সমস্যা এড়াতে অনেকেই মত প্রকাশ থেকেই বিরত থাকতে চান।তবে পেশাজীবীদের মতে, একটি আলোচনায় উপস্থিত সকলের মাঝে তাদের সুচিন্তিত মতামত নিয়ে বিশ্লেষণমূলক তর্ক কাজের ফলপ্রসুতা বাড়ায়।

তবে সব তর্ক ইতিবাচক হয় না, মোড় নিতে পারে ঝগড়ার দিকে।এই অবস্থায় দ্রুত সেই বিতর্কের ইতি টানতে হবে।সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল সেই ইতি টানার উপায়।কথা কম: বিতর্ক শুরুতেই দমিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা হল কথা কম বলা। অল্প কথায় নিজের যুক্তিকে উপস্থাপন করতে হবে। এড়িয়ে যেতে হবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা। কে দোষী তা চিহ্নিত করার মতো ব্যাপারগুলোও বাদ দিতে হবে। কারণ, যত বেশি কথা বলা হবে, বিপরীত ব্যক্তি ততই তর্ক বাড়াতে উৎসাহ পাবে।মেজাজ সামলানো: কর্মক্ষেত্রের বিতর্কের উদ্দেশ্য হল সবচাইতে ভালো সিদ্ধান্তটা বের করে আনা। তাই এই বিতর্কে মেজাজ বেসামাল হয়ে রেগে চিৎকার করলে বাজে ব্যাপার হবে। তাই বিতর্ক হতে হবে স্বাস্থ্যকর। শান্ত সুরে নিজের বক্তব্যটা অপরজনকে বোঝানোই হবে প্রকৃত পেশাজীবীর পরিচয়। উদ্ধত আচরণ দূরে রাখা: আমি যা বলব সেটাই ঠিক , আমি আপনার তুলনায় দক্ষ - এমন মন মানসিকতার একজন সদস্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ভয়ঙ্কর। সকল পদমর্যাদার কর্মীর জন্যই তা প্রযোজ্য। আর বিতর্ক চলাকালে তা যেন আগুনে ঘি ঢালার মতো। যে কোনো সমস্যায় অপরজনের কথা আগে শুনতে হবে।

পরে যুক্তি দিয়ে তা মোকাবেলা করতে হবে।সাময়িক নয়, চাই স্থায়ী সমাধান: মতবিরোধ ঘটলে সাময়িক দমিয়ে রাখার জন্য নেওয়া পদক্ষেপে সমাধান হয় না। বরং দুপক্ষের মধ্যেই চাপা ক্ষোভ রয়ে যেতে পারে। যার ভবিষ্যত ভালো নাও হতে পারে। তাই এমন একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে যা দুপক্ষের জন্য সুবিধাজনক। তবেই হবে এর স্থায়ী সমাধান।বাদ দেন তো: তর্ক যখন বেঁধেছে, ক্ষোভও হয়ত জমাট রয়েছে। তবে তর্ক বা মতবিরোধের সমাধান হওয়ার পরও ঘটনার রেশ ধরে রাখলে সবকিছুই বৃথা। ব্যাপারটা ভুলে গিয়ে দুপক্ষের মাঝে স্বাস্থ্যকর কর্মীসুলভ সম্পর্ক ধরে রাখার মানসিকতা রাখতে হবে। সুযোগ পেলেই একহাত দেখে নেবো এমন ক্ষোভ পুষে রাখা চলবে না।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল- এবিষয় নিয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষের সঙ্গে গালগল্প কিংবা কানভারী করা থেকে বিরত থাকতে হবে।আরও পড়ুনকর্মক্ষেত্রে প্রেমানুভূতি সামলান  কর্মক্ষেত্রে বন্ধু থাকার সুফল  সহকর্মী কতটুকু নির্ভরযোগ্য  উৎপীড়ক সহকর্মী থেকে সতর্ক থাকুন  ।