ঈদের ছুটিতে আরও ১১ জনের মৃত্যু

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৮ বছর বয়সী সামিয়া নামের এক মেয়ে...ডেঙ্গুর ভয়ংকর প্রকোপ এখনও অব্যাহত। ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল। অতিরিক্ত সিটের (শয্যা) ব্যবস্থা করেও শয্যা সঙ্কুলান হচ্ছে না।বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কেউ কেউ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাসাবাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসা করাচ্ছেন।

ঈদের ছুটির ৩ দিনে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে আসছিল।কিন্তু এ ভর্তির সংখ্যা আগের ২৪ ঘণ্টার (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) তুলনায় দেড়গুণ বেড়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ১৮৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে মৃতের তালিকাও। গত ৪ দিনে (বুধবার পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে চলতি মাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮। যদিও সরকারি হিসাবে এ সংখ্যা ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ৪০ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত ডেঙ্গুসংক্রান্ত বুলেটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৮৮০ রোগী ভর্তির পর এ মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৬৯ জন।চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ৪৬ হাজার ৩৫১ জন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৮ হাজার ৪৪২ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। তবে বেসরকারি বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ডেঙ্গু আক্রান্তের এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি।আরও জানা গেছে, গত ৭ দিন ধরে রাজধানীর বাইরে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ৭ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলার তুলনায় রাজধানী ঢাকায় এ রোগীর সংখ্যা ছিল বেশি।সেদিন ২৪২৬ রোগীর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি ছিলেন ১২৭৫ জন। আর ঢাকার বাইরে ভর্তি ছিলেন ১১৫৩। পরদিনই (৮ আগস্ট) ঢাকার বাইরের রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।

ওই দিন ঢাকায় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হওয়া রোগী ছিলেন ১১৫৯ জন আর ঢাকার বাইরে ১১৬৭ জন।৯ আগস্ট ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৪৭ জন আর ঢাকার বাইরে এ সংখ্যা ১০৫৫ জন এবং ১০ আগস্ট (শনিবার) ঢাকায় ১০৬৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১১১ জন। ১১ আগস্ট শুরু হয় ঈদের ছুটি।ওই দিনও ভর্তি হওয়া ২৩৩৪ রোগীর মধ্যে ৯৮১ জন রাজধানীতে আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ১৩৫৩ জন ভর্তি হন। ঈদের দিন (১২ আগস্ট) হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে ৮৪২ জন রাজধানীর এবং ১২৫১ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৩ আগস্ট ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে ৫৯৯ জন ঢাকায়, ৬০১ জন ঢাকার বাইরে এবং বুধবার সকাল পর্যন্ত ভর্তি রোগীর মধ্যে ৭৫৫ জন ঢাকায় আর ১১২৫ জন ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এর আগে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, ঈদের ছুটিতে ঢাকার বাইরে রোগী বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, ঈদের ছুটিতে মানুষ রাজধানীসহ বড় শহরগুলো ছেড়ে গ্রামে ফিরে গেছেন।এ কারণে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার গ্রামাঞ্চলেও ঘটতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকে সরকারও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল। স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করেছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাসপাতালগুলোতে ঈদের ছুটিতে এমনকি ঈদের দিনও চিকিৎসকরা রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করেন। হাসপাতালগুলোতে হেল্পডেস্ক দারুণ তৎপর।বিভিন্ন হাসপাতালেই ডেঙ্গু নির্ণয়ে সব টেস্ট করার ব্যবস্থা ছিল। ছিল স্বাভাবিক ওষুধ সরবরাহসহ জরুরি সব সেবা। ইতিপূর্বে ব্লাড ব্যাংক সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল।এসব ব্যাপারে রোগীদের পক্ষ থেকে তেমন একটা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বরং রোগীরা বলেছেন, প্রায় সব চিকিৎসক সেবাকে ধর্মজ্ঞান করে রোগীদের পাশে ছিলেন। সংকটাপন্ন রোগী পেয়েছেন আইসিইউ সুবিধা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া যুগান্তর প্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া দেশের প্রায় সব কমিউনিটি ক্লিনিক খোলা ছিল।মৃত ১১ জন : ঈদের ছুটিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪ ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে কুমিল্লার চান্দিনার জামালউদ্দিন ভূঁইয়ার স্ত্রী নাজমা আক্তার (৪৮) ১১ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন দুপুর দেড়টার দিকে তিনি আইসিইউতে মারা যান। এ দম্পতি রাজধানীর গোড়ানের খিলগাঁওয়ে বসবাস করতেন বলে জানান নিহতের স্বামীর ভাতিজা রিফাত ভূঁইয়া।১০ আগস্ট ডেঙ্গুজ্বরসহ হাসপাতালের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন বেল্লাল হোসেন (৪০)। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বাসিন্দা মৃত আনোয়ারের ছেলে বেল্লাল মাইক্রোবাস চালক ছিলেন।৭ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আকরাম হোসেন নামে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাসিন্দা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ আগস্ট ভোর ৫টায় মারা যান তিনি। এছাড়া নাসরিন নামে এক নারী ১৩ আগস্ট ভর্তি হন। এরপর ১৪ আগস্ট প্রথম প্রহরের পর (রাত ৩টায়) তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৮ বছর বয়সী সামিয়া নামের এক মেয়ে মারা গেছে।রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি জানান, সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আসিফ পরশ (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরশ উপজেলার চর জাঙ্গালিয়ার দাসপাড়া এলাকার কামরুজ্জামানের ছেলে। পরশের দাদা স্কুলশিক্ষক লকিয়ত উল্লাহ বলেন, পরশ জ্বরে আক্রান্ত হলে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেয়া হয়।পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা। অবস্থার অবনতিতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন তানজিদ (৯) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তানজিদকে ভর্তি করা হয়েছিল। মৃত তানজিদ ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মাঝকান্দি এলাকার ভ্যানচালক জাহিদ মোল্লার ছেলে। ৩ দিন জ্বরে ভোগার পর রোববার তাকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে তার ফুপু রিনা বেগম জানান।রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঈদের দিন দুপুরে আবদুল মালেক (২০) নামে এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বহরম হাউসনগর মহল্লার গোলাম নবীর ছেলে। রামেক হাসপাতালে এ প্রথম কোনো ডেঙ্গু রোগী মারা গেলেন। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক সাইফুল ফেরদৌস জানিয়েছেন, আগেই ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন মালেক। ঈদে তিনি বাড়ি ফিরে ঈদের দিন ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মালেক মারা যান।খুলনা ব্যুরো জানায়, আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুজ্বরে মো. রাসেল (৩২) নামের এক যুবকের সোমবার বিকালে মৃত্যু হয়েছে।মৃত রাসেল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ী গ্রামের মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে। তিনি ঢাকার রমনা পার্কে ক্লিনারের কাজ করতেন। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. পার্থ প্রতিম দেবনাথ জানান, রাসেল ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে সম্প্র্রতি গোপালগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে এনে রোববার তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।পাবনা প্রতিনিধি জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন মাহফুজুর রহমান (২০) নামের এক যুবক মঙ্গলবার রাত ১২টায় মারা গেছেন। মৃত মাহফুজ পাবনা সদর উপজেলার চররামানন্দপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি এবারে এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আকসাদ আল মাসুর আনন জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় মাহফুজকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়। রাত ১২টার দিকে তিনি মারা যান। মাহফুজ ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে পাবনাতে যান।শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, হাজী আবদুল মজিদ (৭৫) নামে ডেঙ্গু আক্রান্ত এক রোগী মারা গেছেন। মৃত রোগীর ছেলে এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমার আব্বাকে গত এক সপ্তাহ ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি। তার শরীরে প্লাটিলেট ২০ হাজার ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে তাকে ঢাকা থেকে শিবচরে আনা হয়। রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। এ নিয়ে মাদারীপুরে ৬ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।ঢাকার বাইরের চিত্র : রাজশাহী ব্যুরো জানায়, ১৫ জুলাই থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা পেয়েছেন ৩৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ২৪৬ জন। বাকিরা চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া মঙ্গলবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন। তারা সবাই এসেছেন ঢাকা থেকে। ভর্তি ছিলেন ১৩১ জন।বরিশাল ব্যুরো জানায়, ১৬ জুলাই থেকে বুধবার পর্যন্ত ৯৯৪ জন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৯১ জন নারী, ১৮৫ জন পুরুষ ও ৭০ শিশু রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগী ভ?র্তি হওয়া ৮১ জনের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ, ৩০ জন নারী ও ৭ জন শিশু রয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬৫ জন। হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।খুলনা ব্যুরো জানায়, খুলনায় এ পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৩০৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪২ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ জন।নড়াইল প্রতিনিধি জানান, কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌর মেয়র ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য ৫০টি কিট প্রদান করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শরীফ সাহানুর রহমানের কাছে মেয়র মুশফিকুর রহমান এগুলো হস্তান্তর করেন।পাবনা প্রতিনিধি জানান, ঈদের ছুটিসহ গত ৪ দিনে পাবনা জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার অন্য ৩টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন করে ৭১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন।সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৪৫ জন। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩শ’। পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসক-নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল জানান, ঈদের ৩ দিনের ছুটিতে পাবনায় নতুন করে ৫৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। বুধবার আরও ১৭ রোগী ভর্তি হন। এর মধ্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ৬১ জন, বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫, ফরিদপুরে ৫ এবং চাটমোহরে ১ জন ভর্তি হন।।