কাশ্মীর নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আহ্বান পাকিস্তানের

image_titleমঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের বরাবর লেখা এক চিঠিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি এ আহ্বান জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।  পাকিস্তান যুদ্ধের উস্কানি দিবে না। কিন্তু ভারত যেন আমাদের সংযমকে দুর্বলতা না ভাবে, চিঠিতে কুরেশি এমনটি বলেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ভারত যদি ফের শক্তি প্রয়োগ করার পথে যায়, আত্মরক্ষার জন্য সর্ব শক্তি নিয়ে পাকিস্তান জবাব দিতে বাধ্য হবে, বলেছেন তিনি।

এহেন বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখে পাকিস্তান ওই বৈঠকের অনুরোধ করছে, তিনি এমনটি বলেছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে।পাকিস্তানের অনুরোধে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ কীভাবে সাড়া দিবে এবং এক্ষেত্রে পরিষদের কোনো সদস্য দেশের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ দরকার হবে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিষ্কার হয়নি।তাদের এ পদক্ষেপের প্রতি চীনের সমর্থন আছে বলে শনিবার জানিয়েছিল পাকিস্তান।অগাস্ট মাসের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে পোল্যান্ড। জাতিসংঘে এক সংবাস সম্মেলনে পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াজেক চাপুতোভিজ পাকিস্তানের কাছ থেকে মঙ্গলবার পরিষদ একটি চিঠি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে সেখানে নিজেদের আইন চালু করার ও স্থানীয় বাসিন্দা নন এমন নাগরিকদের সম্পত্তি কেনার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। ওই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিন ৫ অগাস্ট থেকে কাশ্মীরের টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে রেখেছে দিল্লি এবং লোকজনের অবাধ চলাচল ও জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে।হিমালয় পবর্তাঞ্চলে অবস্থিত কাশ্মীরের বিভিন্ন অংশ ভারত, পাকিস্তান ও চীনের নিয়ন্ত্রণে আছে। সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর ভ্যালি ও হিন্দু প্রভাবাধীন জম্মু নগরী ও এর আশপাশের অঞ্চল ভারতের শাসনাধীন, আজাদ কাশ্মীর বলে কথিত পশ্চিম দিকের বিশাল একটি অঞ্চল পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আছে আর উত্তর দিকের পবর্তময় একটি এলাকা আকসাই চীন চীনের নিয়ন্ত্রণে আছে।কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৯৪৭ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান অন্তত তিনবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে।।