রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় সরকারি কর্মচারী নিহত

image_titleঈদের ছুটির মধ্যেও চলছে বাসচালকদের প্রতিযোগিতা। এই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় কালো পিচ অনেকের রক্তে লাল হয় মাঝে মধ্যে। এবার এমনই ঘটনা...ঈদের ছুটির মধ্যেও চলছে বাসচালকদের প্রতিযোগিতা। এই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় কালো পিচ অনেকের রক্তে লাল হয় মাঝে মধ্যে।

এবার এমনই ঘটনা ঘটল রাজধানীর বিমানবন্দরের সামনে।বিমানবন্দরে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে মো. সেলিম (৩৩) নামে ইনকাম ট্যাক্স অফিসের অফিস সহকারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে এ ঘটনাটি ঘটে।এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।নিহত সেলিম ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে। তিনি উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের কর অঞ্চল ৯, ইনকাম ট্যাক অফিসের অফিস সহকারী হিসাবে চাকরি করতেন।দক্ষিণ খান এলাকার দক্ষিণপাড়া নামক স্থানে তার বাসা।জানা গেছে, সেলিম বিমানবন্দর বাস স্টেশনে একটি বাসে উঠছিলেন। এসময় আগে যাওয়ার জন্য অপর একটি বাস চলে আসে। এতে দুই বাসের মধ্যে চাপা পড়েন ওই যুবক।পরে পথচারীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় আধুনিক হাসপাতাল উত্তরায় নিয়ে যায়। নিহতের ভাই আবু সায়েম সংবাদ পেয়ে সেলিমকে ওই হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া ৮টার দিকে সেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।উদ্ধারকারী পথচারীদের বরাদ দিয়েআবু সায়েম বলেন, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সেলিম বিমানবন্দর বাস স্টেশনে একটি বাসে উঠার সময় পাশ দিয়ে আসা আরেকটি বাস চাপা দেয়। এতে সেলিম দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে।মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ মার্চ রাজধানীতে নর্দ্দা এলাকায় যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত পরিবহনের দুটি বাসের রেষারেষির সময় চাপা পড়ে আবরার আহমেদ চৌধুরী (২০) নামে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক শিক্ষার্থী নিহত হন।এছাড়া দুই বাসের রেষারেষির সময় ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় উড়াল সেতুর ঢালে রাস্তার পাশে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ওপর বাস তুলে দেন জাবালে নূর পরিবহনের চালক। এতে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং আরও ৯ জন আহত হয়।।