প্রানহানি নিয়ে টুইট, ক্ষমা চাইলো এয়ারলাইন

image_titleটেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্লেনের কোন দিকের সিট বেশি নিরাপদ তা জানিয়ে টুইট করায় ক্ষমা চাইতে হয়েছে ডাচ এয়ারলাইনস কেএলএমকে। প্লেন ক্র্যাশ করবে না এই আশা নিয়েই সবাই প্লেনে ওঠে। কিন্তু ডাচ এয়ারলাইনস কেএলএম ইন্ডিয়া হয়তো বেশি বাস্তব চিন্তা করে বলে আশার বাণী শোনাতে ভুলে গেছিলো। তাই তো প্লেনের কোন দিকের সটেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্লেনের কোন দিকের সিট বেশি নিরাপদ তা জানিয়ে টুইট করায় ক্ষমা চাইতে হয়েছে ডাচ এয়ারলাইনস কেএলএমকে।

প্লেন ক্র্যাশ করবে না এই আশা নিয়েই সবাই প্লেনে ওঠে। কিন্তু ডাচ এয়ারলাইনস কেএলএম ইন্ডিয়া হয়তো বেশি বাস্তব চিন্তা করে বলে আশার বাণী শোনাতে ভুলে গেছিলো। তাই তো প্লেনের কোন দিকের সিট বেশি নিরাপদ তা জানিয়ে টুইট করে তারা।গত সপ্তাহে কেএলএম এর ভারতীয় শাখার টুইটার পেইজ থেকে টুইটটি করা হয়। টুইটে লেখা হয়, প্লেনের মাধ্যম সারিতে থাকা সিটগুলোতে মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ। সামনের দিকের সিটগুলোতে প্রানহানির সংখ্যা তুলনামূলক কম। পেছনের দিকের সিটে মৃত্যুর হার সর্বনিম্ন। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সিটিং চার্ট ও হতাহতের তথ্য বিশ্লেষণ করে টাইম ম্যাগাজিন এ তথ্য জানায়। প্রমাণ স্বরূপ একটি গ্রাফিক চার্টও অ্যাটাচ করে দেয়া হয় টুইট পোস্টটিতে।তবে তাদের টুইটার পেইজের ফলোয়াররা এই পরিসংখ্যান দেখে খুশি হতে পারেননি। তীব্র সমালোচনার মুখে ওই দিনই টুইটটি মুছে ফেলে কেএলএম ইন্ডিয়া।পরে ক্ষমা চেয়ে তারা আরেকটি টুইট পোস্ট করে। সেখানে তারা জানায়, ওই পরিসংখ্যানটি তথ্যের উপর ভিত্তির করে তৈরি করা হয়েছে। তাদের নিজস্ব কোনো মতামত নয়। কারও অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া তাদের উদ্দেশ্য ছিলো না।এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, পরিসংখ্যানটা নির্ভুল নাও হতে পারে।

অনেকেই বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে নিরাপদ সিট কোনগুলো তার উত্তর জানার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবেও এর উত্তর দেওয়া অসম্ভব।।