নোটিসে আলোচনা না হওয়ায় ক্ষোভ মেননের

image_titleসংসদের চলতি অধিবেশনের সমাপনী দিন বৃহস্পতিবার অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজের ক্ষোভের কথা জানান সাবেক এই মন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।মেনন বলেন, রুলস অব প্রসিডিউরে আছে, সুতরাং এটা সম্পর্কে জানার অধিকার আমার আছে। অবশ্য আমাদের সংসদ সদস্য মঈনউদ্দীন খান বাদল আমাকে বলছিলেন, আপনি খামোকা এটা নিয়ে ইনসিস্ট করে লাভ নেই।

কারণ আমরা হচ্ছি বকাউল্লাহ আর উনারা শোনাউল্লাহ, আর এই সংসদ হচ্ছে গরিবউল্লাহ । আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন গত সরকারে মন্ত্রী ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন। শেখ হাসিনার এবারের সরকারে জোটের অন্য দলগুলোর কাউকেই মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়নি।বিএনপি ভোটে এলেও সংসদে তাদের আসন মাত্র ছয়টি হওয়ায় নিজেদের জোটসঙ্গীদেরই বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছে আওয়ামী লীগ।রাশেদ খান মেনন (ফাইল ছবি)রাশেদ খান মেনন (ফাইল ছবি)মেনন বলেন, মাননীয় স্পিকার, যদি এই আলোচনাটা না হয়, তাহলে সংসদ আরও গরিব হবে বলে আমার ধারণা। আমি এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য চাচ্ছি। পরে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, মাননীয় সদস্য আপনারা শুধু বকাউল্লাহ বকাই নন, আর আমরা শোনাউল্লাহ শোনাই নই। আপনারা বক্তব্য রাখেন, সে বিষয়ে কিন্তু সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আপনার ৬৮ বিধির নোটিসটি আমি সেদিনও বলেছি, এটা মাননীয় স্পিকারের বিবেচনাধীন আছে। বিবেচনা করা হবে না, এমন তো কোনো কথা নেই। বিষয়টি আমরা আপনাকে পরে অবহিত করব। উচ্চ দামে আমদানি করা এলপিজিতে ভর্তুকির ভার লাঘবের জন্য সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর সব পর্যায়ে গড়ে ৩২.৮ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।এই দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মেননের পুরনো জোটের সঙ্গী বাম দলগুলো আধাবেলা হরতাল পালন করেছে।  মেনন গ্যাসের দাম বাড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে গত রোববার সংসদে বক্তব্য দেওয়ার পর সংসদে আলোচনার জন্য কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারায় নোটিস দিয়েছিলেন।সংসদে থাকা অন্য বাম নেতারা মেননের সেই নোটিস সমর্থন করেন।

তাদের মধ্যে রয়েছেন জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরি সভাপতি মইনুদ্দিন খান বাদল, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, মোস্তফা লুৎফুল্লাহ ও লুৎফননেসা খান।।