যেভাবে স্বস্তি দেয় এসেনশল অয়েল

image_titleমানসিক অস্বস্তি, চাপ দূর করার নিশ্চিত একটি উপায় হল এসেনশল অয়েলের সুগন্ধ। এই তেলগুলো বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধ নিয়ে আসে যা বহু যুগ ধরে মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা এবং মানসিক অস্বস্তির চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে।প্রশ্ন হল কীভাবে এই তেলের সুগন্ধ কাজ করে?স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের আলোকে সেটাই জানানো হচ্ছে এই প্রতিবেদনে।বিজ্ঞান বলে, প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যথা দূর করা রাস্তাটি হল নাক থেকে মস্তিষ্কের পথ।

ঘ্রাণগ্রাহী গ্রন্থিগুলোকে কড়া সুগন্ধির সংস্পর্শে আনার মাধ্যমে মানসিক অস্বস্তি দূর করা সম্ভব এবং যা শরীরে দেবে শান্ত অনুভূতি।মানুষের নাকে থাকা অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টর কড়া সুগন্ধের সংস্পর্শে আসলে সক্রিয় হয় এবং মস্তিষ্ককে স্নায়বিক চাপ কমানোর সংকেত পাঠায়। ল্যাভেন্ডার , পিপারমিন্ট এবং ক্লোভ এই নির্দিষ্ট কয়েকটি সুগন্ধি মানসিক চাপ কমাতে ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এদের গঠন আর মানসিক অস্বস্তি দূর করার অসংখ্য ওষুধের গঠন একই। বিশেষত, ল্যাভেন্ডার য়ের সুগন্ধের আছে বিশেষ ঝাঁঝ যা মস্তিষ্কের নিউট্রন কে প্রভাবিত করে এবং গাবা রিসেপ্টর কে বন্ধ করে, যার মাধ্যমে মানসিক অস্বস্তি কমে যায়।শরীর ও মনকে শান্ত করে এমন সুগন্ধির দীর্ঘদিন ব্যবহার মস্তিষ্কের রাসায়নিক গঠনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, ডোমামিন ও এই ধরনের অন্যান্য হরমোনের উৎপাদন বাড়ায়, যা শরীর ও মনকে প্রফুল্ল করে এবং মানসিক চাপ দূরে রাখে। মৃদু মাত্রায় ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা সারাতে সাহায্য করে।একইভাবে বেবি পাউডার ও প্রাকৃতিক কিছু উপাদান বিশেষ এক ধরনের সুবাস তৈরি করে যা শরীরকে প্রশান্তির অনুভূতি দেয় এবং মনকে দেয় নিরাপত্তার আস্থা। ফলে ঘুমের রাজ্যে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া সহজ হয়।আরও পড়ুনএসেনশল অয়েল ব্যবহার পদ্ধতি  সংগ্রহে রাখুন কিছু এসেনশল অয়েল  ।