ইন্দোনেশিয়ায় সুনামিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২০

image_titleইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালীর উপকূলে ভয়াবহ সুনামিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮৪৩ জন। এছাড়াও এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন ২৮ জন। গত শনিবার রাতে ভয়াবহ এ সুনামি আঘাত হানে এবং সে সময় সমুদ্রের ৬৫ ফুট উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টি হয়।

কোনো রকম পূর্বসতর্কতা না পাওয়ায় এত মানুষ হতাহত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরয়ো নুগ্রহো জানিয়েছেন, সুনামির আঘাতে শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের নিচে ভূমিধসের কারণে সুনামি ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে প্যানদেগ্ল্যাং, দক্ষিণ লাম্পাং ও সেরাং এলাকায়।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বলছে, পূর্ণিমার কারণে সাগর আরো ফুঁসে উঠতে পারে। সুতোপো তার টুইটার অ্যাকাউন্টে দেয়া পোস্টে জানিয়েছেন, সুনামিতে ৪৩০টি বাড়ি এবং নয়টি হোটেল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বানতেন প্রদেশের প্যানদেগ্ল্যাং এলাকা। এই সুনামির আগে গত সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়াশি দ্বীপের পালু শহরে ভূমিকম্প ও সুনামিতে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এ ছাড়া ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমাত্রা দ্বীপের উপকূলে সাগর তলদেশে ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প-পরবর্তী সুনামিতে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬৮ হাজারজনই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। ।