ট্রেনে ভিড়, যাত্রী কম বাসে

image_titleপ্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ। বাসে তেমন যাত্রী নেই। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রায় এবার প্রথম পছন্দ ট্রেন। শুক্রবার (৩১ মে) ঈদযাত্রার প্রথমদিন রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।

তবে, গাবতলী বাস টার্মিনালে তেমন ভিড় নেই। পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করে টিকিট বিক্রি করতে দেখে গেছে। তারা বলছেন, এখনও স্বাভাবিক দিনের মতোই যাত্রী হচ্ছে। আসনও খালি যাচ্ছে।
কমলাপুরে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েকটি ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। প্ল্যাটফর্মে ট্রেন এলেই প্রতিটি আসন মুহূর্তেই ভরে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। সেই চাপ সামাল দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আশা করি কোনও সমস্যা হবে না।’
এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাবতলী টার্মিনালেও দেখা গেছে এর বিপরীত চিত্র। নগরীর সবচেয়ে বড় এই টার্মিনালটিতে তেমন যাত্রী চোখে পড়েনি। অধিকাংশ কাউন্টারের লোকজন অলস সময় কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ টিকিট বিক্রির জন্য নানা রকম কণ্ঠে যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। যাত্রীরাও টিকিটের দাম কমাতে কাউন্টারে দর-কষাকষি করছেন। এক কাউন্টার থেকে অন্য কাউন্টারে ঘুরছেন পছন্দের টিকিট বা পরিবহনের জন্য।

জানতে চাইলে রাজধানী এক্সেপ্রেসের সহকারী ম্যানেজার রেজাউল মোল্লা রাজু বলেন, ‘যাত্রীদের চাপ কম।

যাত্রীর অভাবে গাড়িও বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ জুন থেকে গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ হলে চাপ বাড়বে। এখন যাত্রী নেই। তখন বাসের ছাদে, ট্রাকে এমনটিকে সবাই রওনা দেবে। এখন শুধু তারাই যাচ্ছেন, যারা অগ্রিম টিকিট নিয়েছেন।’
জানতে চাইলে ইউনিক পরিহনের সহকারী মো. শাম বলেন, স্বাভাবিকের চেয়ে যাত্রী একটু বেশি। তবে এখনও আসন খালি যাচ্ছে। যে বাস ভর্তি হতে ৩০ মিনিট লাগার কথা, সেই বাসে সময় লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। ডাকাডাকি করেও যাত্রী নেই।’
ঝিলাইদহ-চুয়াড়াঙ্গাগামী পরিবহন রয়েল এক্সপ্রেসেসের একজন কর্মী সকাল ১১টার গাড়ির জন্য যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যাত্রী থাকলে ডাকাডাকি করতাম না। খাড়ি খালি। যাত্রী কম।’এখনও যাত্রীদের চাপ বাড়েনি বলেও তিনি জানান।