খুচরা বাজারেও চালের দাম কমছে

পাইকারির পর খুচরা বাজারেও চালের দাম কমতে শুরু করেছে। কিন্তু পাইকারিতে যে হারে কমেছে, খুচরা বাজারে সেই হারে কমেনি। গত তিন দিনে পাইকারিতে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৫ টাকা কমেছে, খুচরায় কমেছে মাত্র ২ টাকা। সরু মিনিকেটে প্রায় ৩ টাকা কমলেও খুচরায় কমেছে ১ টাকা।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ভোক্তারা দাম কমার তেমন সুফল পাচ্ছেন না। এর কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীদের যুক্তি, দাম কমার আগে তাঁরা অনেক চাল কিনে রেখেছিলেন। এ কারণে পাইকারি বাজারের মতো খুচরায় দাম ততটা কমেনি। মিরপুর-১ নম্বর সেকশনের সিটি করপোরেশন কাঁচাবাজারের পরশ জেনারেল স্টোরে গতকাল প্রতি কেজি ভালো মানের মিনিকেট চাল ৬৪ টাকা দরে বিক্রি হয়, যা আগের চেয়ে ১ টাকা কম। এ ছাড়া মোটা স্বর্ণা চাল কেজিতে ২ টাকা কমিয়ে ৫০ টাকায় বিক্রি করছিলেন ওই দোকানের বিক্রেতা। তিনি বলেন, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও সেই চাল এখনো কেনা হয়নি। আগের চালই দাম কিছুটা কমিয়ে বেচতে হচ্ছে।পাইকারি দোকান মোহাম্মদীয়া খাদ্য ভান্ডারের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন লিটন বলেন, দাম কমে যাওয়ায় এখন কেনা-বেচা তিন ভাগের এক ভাগে নেমেছে। দাম যখন বাড়ছিল তখন খুচরা বিক্রেতাদের অনেকে বেশি পরিমাণে কিনে বাড়তি মুনাফা করতে চেয়েছিলেন।এ ব্যপারে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের খুলনা রাইস এজেন্সির মালিক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খুচরা পর্যায়ে যে চাল আছে, তা কেনা বেশি দামে। এর ফলে দাম কমতে কয়েক দিন লাগবে।ঈদুল আজহার পরে পাইকারি বাজারে মোটা, মাঝারি ও সরু চালের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়ে গিয়েছিল। এ পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম গত মঙ্গলবার চালকলমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমানোর ঘোষণা দেন চালকলমালিকেরা। অন্যদিকে ভারতীয় আমদানি করা চালের দামও কমে যায়।