রোহিঙ্গা ইস্যুতে এবার বিমসটেকেও ছায়া পড়েছে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এবার ছায়া পড়েছে বিমসটেকে। বিমসটেকে নতুন গতি আনার প্রচেষ্টা রয়েছে ভারতের। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তাতে ভারত উদ্বিগ্ন।অনলাইন ডেকান হেরাল্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের ওপর সর্বশেষ সহিংসতার কারণে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এতে ন্যাপিড’র সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে টান টান উত্তেজনা চলছে। এ অবস্থায় উদ্বেগে ভারত। ভারত চাইছে ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন’ বা বিমসটেকের মাধ্যমে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে। কিন্তু ন্যাপিড ও ঢাকার মধ্যকার বোধগম্য অবনতিশীল সম্পর্কে সেই প্রত্যাশা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে নয়া দিল্লিতে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এ দুটি দেশই বিমসটেকের সদস্য। এরই মধ্যে আঞ্চলিক আরো একটি জোট সার্কের শীর্ষ সম্মেলন নিয়েও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছর নভেম্বরে এ সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও এবার কোনো তোড়জোড় নেই। হাতে আর মাত্র একটি মাস সময়। এর মধ্যে এ আয়োজন সম্পন্ন করার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না।তবে এ সম্মেলন না হওয়া ও বিমসটেকের সম্মেলনের ওপর ছায়া পড়ার কারণ ভিন্ন। বিমসটেকের পরবর্তী সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে এ বছরের শেষের দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার জন্য মিয়ানমারের কড়া সমালোচনা করবে ঢাকা। এরই মধ্যে নয়া দিল্লিকে জানান দিয়েছে ঢাকা। তারা বলেছে, অং সান সুচি যদি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত না নেন এবং মিয়ানমারের এসব মানুষের নিরাপত্তা, তাদের মর্যাদা ও নাগরিকত্বের অধিকার না দেন তাহলে বিমসটেক সহ আন্তর্জাতিক সব ফোরাম ব্যবহার করে ন্যাপিড’কে আক্রমণ করবে ঢাকা।