অভিজিৎ হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৬ অক্টোবর

ঢাকার মহানগর হাকীম গোলাম নবী বুধবার প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানোর এ আদেশ দেন।এ নিয়ে ২৯ বারের মতো মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি বলে জানান আদালত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মোজাম্মেল হোসেন।আড়াই বছরে ২৯ বার সময় নিয়েও প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারার বিষয়ে গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম নেতা আইনজীবী জীবনানন্দ চন্দ জয়ন্ত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, “এটি তদন্ত কর্মকর্তার ব্যর্থতা।”২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা চলাকালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের টিএসসির কাছে ফুটপাতে কুপিয়ে হত‌্যা করা হয় অভিজিৎ রায়কে। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী বন‌্যা আহমেদও হামলার শিকার হয়ে একটি আঙুল হারান।পদার্থবিদ অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে অভিজিৎ থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। লেখালেখির কারণে জঙ্গিদের হুমকির মুখেও বইমেলা অংশ নিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।ঘটনার পর শাহবাগ থানায় অভিজিতের বাবার দায়ের করা মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানান এসআই মোজাম্মেল।এর মধ্যে এক আসামি মারা গেছেন জানিয়ে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ মামলায় সাদেক হোসেন মিঠু নামে এক আসামি গত ২৯ অগাস্ট মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের জন্য গেলে তা নাকচ হয়।সাদেক হোসেন মিঠু ছাড়াও এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মো. তৌহিদুর রহমান গামা, শফিউর রহমান ফারাবী, আমিনুল মল্লিক, জুলহাস বিশ্বাস, মো. জাফরান হাসান ও মান্নান ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহী কারাগারে রয়েছেন।