প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ‘জুলি-টু’

নেহা ধুপিয়া অভিনীত ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড সিনেমা জুলি। দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছিল এটি। এবার এর সিক্যুয়েল জুলি-টু নির্মাণ করেছেন নির্মাতারা। সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার অভিনেত্রী রাই লক্ষ্মী।ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির ট্রেইলার। এতে রাই লক্ষ্মীর খোলামেলা ও সাহসী দৃশ্য নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। এছাড়া সবাইকে অবাক করে দিয়েছে সিনেমাটির পরিবেশকের নাম। কয়েকদিন আগেও নির্মাতাদের সঙ্গে যার দ্বন্দ্ব ছিল তুঙ্গে। বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত ব্যক্তি ও ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান পহলাজ নিহালানি। দায়িত্ব থাকা অবস্থায় ‘রক্ষণশীল’ তকমা পাওয়া পহলাজ ভোল পাল্টে কীভাবে এমন একটি সিনেমার পরিবেশক হলেন তা নিয়ে বলিপাড়ায় চলছে সমালোচনা। এদিকে সম্প্রতি ভারতীয় সেন্সরবোর্ডে জমা পড়ে জুলি-টু। অনেকেই ভেবেছিলেন সিনেমাটি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদ পড়বে। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে কোনো কর্তন ছাড়াই এটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ‘অ্যাডাল্ট’ সিনেমার তকমা অর্থাৎ শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই দেখতে পারবেন জুলি-টু।এ প্রসঙ্গে পহলাজ নিহালানি বলেন, ‘আমি যা আশা করেছিলাম তাই হয়েছে। যদি এখনো সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকতাম আমিও কোনো কর্তন ছাড়াই অ্যাডাল্ট সিনেমার সনদ দিতাম। যদিও এটি একটি অ্যাডাল্ট সিনেমা তবু এতে কোনো নগ্নতা, শরীর প্রদর্শন এবং ডাবল মিনিং সংলাপ নেই। যেমনটা আমি বলেছিলাম, এটি একটি পারিবারিক অ্যাডাল্ট সিনেমা এবং সেন্সর বোর্ড সঠিক কাজটিই করেছে।’সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় রক্ষণশীল এবং এখন সফট পর্নো সিনেমার পরিবেশক, তাকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্যের প্রতিবাদ করে নিহালানি বলেন, ‘সফট পর্নো অথবা সফট কর্ন নাকি কঠিন বাস্তব, সিনেমা মুক্তি পেলেই সব জানা যাবে।’জুলি-টু সিনেমাটি পরিচালনা করছেন দীপক শিবদাসানি। এতে রাই লক্ষ্মী ছাড়াও রয়েছেন-রতি অগ্নিহোত্রী, সাহিল সালাথিয়া, আদিত্য শ্রীবাস্তব, রবি কৃষান এবং পঙ্কজ ত্রিপাঠি। চলতি বছর ৬ অক্টোবর মুক্তি পাবে সিনেমাটি।