মুখের দুর্গন্ধ দূর করুন সহজ তিনটি উপায়ে!

আধুনিক যুগের পুরোটাই সচেতনতার। মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত নিজেকে গুছিয়ে রাখার অপর নামই হলো সৌন্দর্য এবং সচেতনতা। ধরুন, আপনি দারুণ একটি পোশাক পরেছেন কিন্তু আপনার চুল অগোছালো। এটি মোটেই সৌন্দর্য নয়। আবার ধরুন, আপনি একদম পরিপাটিভাবে নিজেকে সাজিয়েছেন কিন্তু কথা বলা শুরু করলেই মুখের দুর্গন্ধে আশেপাশের মানুষজন বেশ বিরক্ত হচ্ছে। সেটিও কিন্তু বেশ লজ্জাজনক এবং আপত্তিকর।যাহোক, এ ব্যাপারে চিন্তার কিছু নেই। আজকের ফিচারে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে ঘরোয়া তিনটি উপায়ের কথা, যেগুলো অনুসরণ করলে আপনি খুব সহজেই এহেন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবেন। চলুন তবে জেনে আসা যাক- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন খাবার আগে এবং খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা পর প্রচুর পানি পান করুন। দীর্ঘক্ষণ পানি পান না করলে মুখে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয় এবং এতে করে দুগর্ন্ধ দেখা দেয়। শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধকারী স্যালিভা উৎপন্ন করার জন্যে পানি পান করা জরুরী। তবে খেয়াল করবেন, যে পানি আপনি পান করছেন তা যেন অবশ্যই পরিষ্কার ও ফ্লোরাইড মুক্ত হয়। যেহেতু স্যালিভা অক্সিজেনে পরিপূর্ণ, সেহেতু অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে তাদের বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এটি প্রাকৃতিক এনজাইমে ভরপুর যেটি কিনা ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য যখন আপনি পানি, মাউথওয়াশ কিংবা অন্যান্য হাইজিন সামগ্রী ব্যবহার করেন তখন বিভিন্ন অ্যান্টিবডি তৈরি করে।লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি করুন আপনি গলা এবং টনসিল থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্যে লবন-পানি দিয়ে গার্গল বা কুলকুচি করতে পারেন। হিমালয়ান ক্রিস্টাল লবণ এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। সেটি হাতের নাগালে না পেলে আপনি সাধারণ সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ দিয়েও এটি করতে পারেন। পানি যেন হালকা গরম থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। এভাবে কুলকুচি করলে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঠাণ্ডার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস বদলে ফেলুন নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লস করুন, বিশেষভাবে খাওয়ার পরে। বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মেজেছেন কখনো? এটি কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। ছয় মাসে অন্তুত একবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত পরীক্ষা করান। তার দেওয়া সাজেশন সমূহ খুব ভালোমতন অনুসরণ করুন। নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ ব্যাপারটি দারুণ অস্বাস্থ্যকরও বটে। আশা করছি উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে উপকার পাবেন আপনি। শুভকামনা রইলো।