রমজানে খোলামেলা পোশাক পরিধানের দায়ে মালয়েশিয়ায় ৩৯ নারীর গালে প্রকাশ্যে চড়

image_titleআন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনকুয়ালালামপুর: মালয়েশিয়ার মুসলিম নারী অধিকার আন্দোলন কারী সংগঠন ‘Sisters in Islam’ দেশটির কেলান্তান ইসলামিক এফেয়ার্স এবং ধর্মীয় বিভাগ নারীদের পোশাক পরিধানের বিষয়ে তদন্ত বন্ধ করার দাবী জানিয়েছে।সম্প্রতি দেশটির কেলান্তান রাজ্যে পবিত্র রমজান মাসে যৌন উদ্দীপক পোশাক পরিধান করে জনসম্মুখে আসার দায়ে ৩৯ জন নারীকে প্রকাশ্যে চড় মারার শাস্তি কার্যকর হওয়ার পর ‘Sisters in Islam’ এমন দাবী উত্থাপন করেছেন।সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘নারীদের কি পরিধান করা উচিত এবং তা নিয়ন্ত্রণের চিন্তা বন্ধ করা প্রয়োজন।’সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘এই চর্চা নারীদের মূল্যবোধ কে শুধুমাত্র নিচে নামায় না বরং তাদের পোশাক পরিধান করার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার মাধ্যমে নারীদের কে মানসিক ভাবে, শারীরিক ভাবে এবং আধ্যাত্মিক ভাবে একটি সঙ্কটের মধ্যে ফেলে দেয়া হয়।

’সংগঠনটি একই সাথে মুসলিম নারীদের পোশাকের বিষয়ে তাদের উপর শাস্তি আরোপের প্রতি উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করে এবং ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরুষের শালীনতা রক্ষার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার বিষয়টি সামনে তুলে ধরে।বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই বৈষম্য আমাদের কে এ কথা বলে যে, নারীরা বিশেষ ভাবে কমিউনিটির মধ্যে সামাজিক এবং নৈতিক ভাবে দোষারোপ করার যোগ্য।’প্রসঙ্গত, কেলান্তন রাজ্যে কুরুচি পূর্ণ পোশাক পরিধান করার দায়ে নারীদের কে শাস্তির আওতায় আনার সময় স্থানীয় ‘Jabatan Hal Ehwal Agama Islam Negeri Kelantan’ বা JAHAEIK নামের আইন প্রয়োগ কারী সংস্থার শরিয়া বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ফাদজুলি জেইন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন যে, শাস্তির আওতায় আনা নারীদের কে নয় ঘণ্টা পূর্ব নোটিশ দেয়া হয়েছিল।তিনি বলেন, JAHEAIK, Kota Baru Municipal Council (MPKB), state Welfare Department এবং স্থানীয় পুলিশ বিভাগের ৭০ জন অফিসার এই শাস্তি কার্যকর করার বিষয়ে অংশ গ্রহণ করেন।৩৯ জন নারী কে পূর্ব বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে এবং তাদের কে উপদেশ দেয়া হয়েছে আর আট জন নারীকে ভবিষ্যতে এরকম কর্ম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।ফাদজুলি জেইন বলেন, আমার দপ্তর সময়ে সময়ে এরকম কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখবে এবং যারা শরিয়া আইন ভঙ্গ করবে তাদের কে শাস্তির আওতায় আনা হবে।সূত্র; মালয়মেইল ডট কম।।