হারে শেষ আবাহনীর

হার দিয়েই এএফসি কাপের মিশন শেষ করল আবাহনী লিমিটেড। অ্যাওয়ে ম্যাচে এতটা দুর্বল দেখা যায়নি তাদের। যতটা দেখা গেল হোম ম্যাচে। হারের ব্যবধানই তা বলে দেয়। বাঙ্গালোরে হার ছিল ১-০ গোলে। বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিরতি লেগের ম্যাচে বাঙ্গালোর এফসির কাছে ৪-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে আকাশি নীল-হলুদ শিবির।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণেই ব্যবধানটা স্পষ্ট বোঝা গেল। সফরকারীদের একের পর এক আক্রমণ ফেরাতেই ব্যস্ত থাকতে দেখা গেল ওয়ালী ফয়সালদের। তবে গোলের দেখা পেতে ১৩ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বাঙ্গালোরকে। ওই সময়ে মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে একাই ছুটে যান অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী। বক্সের কাছ থেকে ডান প্রান্তে ক্রস করে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন তিনি। সেখানে এগিয়ে আসা ডেনিয়েল লুকাস সিগোভিয়া আলতো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন (১-০)।মিনিট তিনেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নিশু কুমার। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে কর্নার কিক নেন সুনীল ছেত্রী। উড়ে আসা বলে হেড করেন তিনি (২-০)। ১৬ মিনিটেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে ৪১ মিনিটে রুবেল মিয়া শট নিলেও বল মাঠের বাইরে চলে যায়। অবশ্য আক্রমণে তেমন কোনো ধার ছিল না।দ্বিতীয়ার্ধে আরও গোলক্ষুধা নিয়ে যেন মাঠে নামে বাঙ্গালোর এফসি। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে আবার দৃশ্যপটে সেই নিশু। বলের জোগানদাতা সেই সুনীল ছেত্রী। ডিফেন্সে ছেত্রীর কাছ থেকে বল পেয়ে প্লেসিং শটে গোল করেন নিশু (৩-০)। মিনিটদুয়েক পর প্লেমেকার সুনীলকে দেখা গেল গোলদাতার ভূমিকায়। আর তাতেই ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০ তে। হারমানজত সিংয়ের ক্রস গ্রিপে নিতে ব্যর্থ হন গোলকিপার শহিদুল আলম সোহেল। সেই সুযোগে বুক দিয়ে উড়ে আসা বল রিসিভ করে ডানপায়ে জোরালো শটে গোল করেন ছেত্রী।তবে আবাহনীর ব্যবধান বাড়তে পারত আরও। কিছু গোল স্বাগতিক রক্ষণদেয়ালে আটকে গেছে। আবার জোরালো কিছু শট রুখে দিয়েছেন সোহেল। এতেই আরও বড় হার থেকে রক্ষা পেয়ে মাঠ ছাড়ে আকাশি নীল-হলুদ শিবির। এর মধ্যদিয়ে এবারের এএফসি কাপের মিশন শেষ করল আবাহনী। ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে হার এবং একটি করে জয় ও ড্র ছিল তাদের এবারের এএফসি কাপের যাত্রায়।