স্বাস্থ্যে বরাদ্দ কমেছে

নির্বাচনী বছরে যখন সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সেই সময় বরাদ্দ কমানো হয়েছে এই খাতে।বিদায়ী অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ, সেটা কমিয়ে এবার ৫ শতাংশে আনা হয়েছে।গত অর্থবছর স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ২০ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরে এই খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাবনায় স্বাস্থ্য খাত নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এ বছর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। স্বাস্থ্যখাতে আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা নিশ্চিত করা। গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সরকার দুই ধাপে নয় হাজার ৭৯২ জন ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ডাক্তার ও নার্সের অনুপাত ২:১ রাখতে অতিরিক্ত চার হাজার সিনিয়র নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানান তিনি।এছাড়াও ২০২১ সালের মধ্যে প্রসবকালে শিশুমৃত্যু এবং মাতৃমৃত্যুর হার শূন্য করার লক্ষ্যে ৬০০ ধাত্রী নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মুহিত জানান, সরকার হোমিওপ্যাথিক, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার নিয়োগ, ঔষধী গাছের বীজ বপন এবং বিকল্প ওষুধের ব্যবহার জনপ্রিয় করতে ভেষজ বাগান তৈরিতেও কাজ করছে।রোগীদের জন্য মানসম্মত সেবার নীতিমালা এবং ডাক্তারদের পেশাদারি সুরক্ষা নিশ্চিতে আইনি কাঠামোতে সংস্কার আনার কথাও জানান তিনি।এই লক্ষ্যে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ বাতিল করে বাংলাদেশ মেডিকেল সার্ভিস আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।এছাড়াও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মানসিক স্বাস্থ্য আইন প্রণয়ন করা হবে এবং ৪৩ জন ডাক্তার মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় কাজ করবে।