সিটিতে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই: ইসি সচিব

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এবং চার নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে আসন্ন দুই সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ইভিএম ব্যবহার না করা এবং গাজীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারসহ ২০ দফা লিখিত দাবি তুলে ধরেন বিএনপি নেতারা।বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা ইসির নেই। ইভিএমের মতো প্রযুক্তি আইনানুগভাবে ব্যহার করা হচ্ছে স্থানীয় নির্বাচনে। এরপরও এ নিয়ে আপত্তি থাকলে বিএনপিকে ইভিএম আবার দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ কর্মকর্তা এসপি হারুনকে প্রত্যাহারে বিএনপির দাবির বিষয়ে পরে কমিশন সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কমিশন বৈঠকে এটা নিয়ে আলোচনা হবে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতাসহ অনেক সুপারিশ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে বিএনপি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের ছয় সদস্য আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৈঠকে অংশ নেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। অপরদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদার নেতৃত্ব কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে আগামী ১৫ মে। দুই সিটির নির্বাচনের জন্য ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৩ এপ্রিল ।