শিক্ষা ও গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে: ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, দক্ষ জনবল তৈরি করতে জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ শিক্ষা ছাড়া দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব নয়। আর দক্ষ জনবল ছাড়া সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন অসম্ভব।মঙ্গলবার অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত বাজেট পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমানের সভাপতিত্বে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।স্বাগত বক্তব্য দেন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম। এছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিক উজ্ জামান, কমনওয়েলথ সচিবালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শাখার সাবেক প্রধান ড. এম এ রাজ্জাক ও বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ।অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যথাসময় বাজেট বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন, বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিস্তারিত মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের জন্য সংসদে উপস্থাপনের আগেই তিনি জাতীয় বাজেটের তথ্যাবলি জনসম্মুখে প্রকাশের পরামর্শ দেন।মূল প্রবন্ধে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচন ও আর্থিক বৈষম্য নিরসন করে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।এতে বলা হয়, বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন। ভ্যাট, কাস্টম ডিউটি ও আয়কর খাতে কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কার না করে ৩০ ভাগ রাজস্ব আদায় সম্ভব নয় বলেও প্রবন্ধে মন্তব্য করা হয়।ব্যাংকিং খাতে প্রণোদনা দানের বিষয়টি রাজস্ব খাতে অস্থিরতা আনবে উল্লেখ করে প্রবন্ধকার বলেন, দ্রুত সংস্কার কমিশন গঠন করে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও অস্থিরতা দূর করতে হবে। জাতীয় বাজেটের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও অপচয় রোধে তিনি অর্থবছরের সময়সীমা জুলাই-জুন এর পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ করার প্রস্তাব দেন।