যারা অতিরিক্ত গরম কিংবা শীতে মৃত্যু ঝুঁকিতে

রিস্ক অ্যানালাইসিস জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় জানানো হয়, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা কিংবা গরম বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। তাই পরিবেশ ভেদে তাদের উচিত স্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি যত্নবান হওয়া।গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের টুইন সিটিজ অফ মিনেসোটা নামে খ্যাত মিনিয়াপোলিস- সেইন্ট.পল মেট্রোপলিটন এলাকার অসহনীয় ঠাণ্ডা ও গরম আবহাওয়ার তথ্য যোগাড় করেন গবেষকরা। এর সঙ্গে তুলনা করা হয় ওই এলাকায় ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কারা মারা গেছেন এবং ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল নাগাদ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসা রোগীদের ধরন।জাপানের হোকাইদো ইউনিভার্সিটির মাতিও কনভেরতিনো এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা থেকে পর্যবেক্ষণ করা তথ্যের বিশ্বব্যাপি মিল পেয়েছি আমরা। অসহনীয় আবহাওয়া ভয়ঙ্কর তা জানা থাকলেও কোন আবহাওয়া কোন ধরনের রোগীর জন্য মারাত্বক তা নিয়ে খুব বেশি গবেষণা করা হয়নি। আর এই বিষয়ে জানা থাকলে সাধারণ মানুষকে সঠিক সেবা দেওয়া আরও সহজ হবে।ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটা টুইন সিটিজ এবং মিনেসোটা ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথের সঙ্গে দল বেঁধে কোন ধরনের অসহনীয় তাপমাত্রায় কোন রোগের তীব্রতা বাড়তে পারে তা জানতে মাঠে নামেন কনভেরতিনো।তীব্র শীত আর অসহনীয় গরমের জন্য সুপরিচিত টুইন সিটিজ। গবেষক দলটি দেখেন, আবহাওয়ার তীব্রতার বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মৃত্যুর হার ও ঝুঁকি বাড়ে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা এই জনগোষ্ঠীকে আবহাওয়া প্রভাবিত করে তাদের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী।শীতকালে হৃদরোগী ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্তদের রোগের তীব্রতা বাড়ে। তবে গরমকালে ততটা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে না। আবার যাদের বৃক্কে সমস্যা আছে তাদের জন্য ব্যাপারটা পুরো উল্টা।আবহাওয়ার তারতম্যের সঙ্গে ডায়বেটিসের কোনো সম্পর্ক দেখা যায়নি।গবেষণায় আরও দেখা যায়, সাধারণ মানুষকে কখন সতর্ক করতে হবে তার সঠিক সময়টা নির্ধারণ করতে প্রকৃত তাপমাত্রার চাইতে শতাংশভিত্তিক তাপমাত্রার সীমা এবং তাপ তালিকা ভালো উপায়।কনভোরতিনো বলেন, স্থান ও সময় ভেদে যেহেতু আবহাওয়া ভিন্ন তাই, নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য বিশেষায়িত আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং সতর্কবাণী নির্ধারণ করা জরুরি।  আরও পড়ুনগরম রোধের অস্ত্র শসা  আবহাওয়ার সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক  বৃষ্টির দিনে যেভাবে সাজবেন না