যাত্রীর চাপ এখনও বাড়েনি সদরঘাটে

বৃহস্পতিবার সকালে সদরঘাটে গিয়ে ভিড় তেমন দেখা যায়নি। লঞ্চকর্মীরা মনে করছেন, বিকালে অফিস ছুটির পর চাপ বাড়তে পারে।ঢাকার সদরঘাট থেকে নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুর এবং বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন গন্তব্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়।মূলত সকালে চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জের এবং বিকালে দূর গন্তব্যের নৌযানগুলো ছাড়লেও ঈদের সময়ে তার হেরফের হয়।লঞ্চকর্মীরা বলেন, অন্যবার যে পরিমাণ ভিড় হয়, এবার ঈদের দুদিন আগেও তেমন ভিড় দেখা যাচ্ছে না।বিআইডব্লিউটিএ র পরিবহন পরিদর্শক (টিআই) এ বি এস মাহমুদ  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ৩৬টি লঞ্চ সদরঘাট থেকে  ছেড়ে যায়। বুধবার সারাদিনে ছেড়ে গিয়েছিল ১২২টি লঞ্চ। সুন্দরবন গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আবুল কালাম বলেন, ভেবেছিলাম আজ সকালে যাত্রী পাওয়া যাবে। কিন্তু পাওয়া যায়নি। আশা করছি, গার্মেন্টস কারখানাগুলো ছুটির পর বিকালে যাত্রী পাওয়া যাবে। টিআই হুমায়ন কবির বলেন, বিকালে যাত্রী বাড়তে পারে।চাঁদপুরের লঞ্চগুলোর জন্য লালকুঠি ঘাট; বরিশাল, ভোলা, বরগুনা ও পিরোজপুরের লঞ্চের জন্য প্রধান টার্মিনাল এবং পটুয়াখালীর লঞ্চগুলোর ওয়াইজঘাট টার্মিনালে পন্টুন নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।ঈদ উপলক্ষে সোমবার থেকে বিশেষ সার্ভিস চালু করেছে বিআইডব্লিউটিসি। নৌ পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ, কোস্টগার্ড, র‌্যাবের সার্বক্ষণিক পাহারা রয়েছে সদরঘাটে। মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাও সার্বিক পরিস্থিতি নজরদারি করছেন। পালা করে একজন নির্বাহী হাকিমও রয়েছেন। সদরঘাটের পুরো চিত্র সি সি ক্যামেরায় মনিটর করা হচ্ছে বলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মওদুদ হাওলাদার জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ২৬১ জন পুলিশ পালা বদল করে দায়িত্ব পালন করছেন সদরঘাটে।