মুক্ত খালেদাকে নিয়ে ঈদ করার আশায় বিএনপি

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সর্বোচ্চ আদালত তার জামিন বহাল রেখে রায় দেওয়ার পর বুধবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আশাবাদ প্রকাশ করেন।এই মামলাটিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন হলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় আপাতত তার মুক্তি যে মিলছে না, তা আইনজীবীরা সকালেই জানিয়েছিলেন।সন্ধ্যায় গুলশানে দলীয় চেয়াপারসনের কার্যালয়ে ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ঈদ পর্যন্ত ম্যাডাম কারাগারে থাকবেন- এটা আমরা মনে করি না। ঈদের আগে অবশ্যই তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসবেন- এটা আমাদের বিশ্বাস। আমাদের দেশের মধ্যে আইনের যে সিস্টেম আছে, তাতে মনে করি যে এটাই হওয়াটা উচিৎ। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরজিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজার রায়ের পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি খালেদা। আপিল করে হাই কোর্ট থেকে তিনি জামিন নিলেও পরে আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ আসে। বুধবার আপিল বিভাগও জামিনের আদেশ বহাল রেখে রায় দেয়।বিএনপি মহাসচিব বলেন, ম্যাডামকে এখন ৬টা মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো আছে। সেই মামলাগুলো নিয়ে আমরা হাই কোর্টে মুভ করব। আইনজীবীদের সাথে আমি আলাপ করেছি। আমরা প্রত্যাশা করছি, আগামী ৭/১০ কর্ম দিবসের মধ্যেই ওইসব মামলায় জামিন পাওয়া যাবে। খালেদা জিয়ার দণ্ড এবং তার কারাবাস দীর্ঘায়িত হওয়ার জন্য বিএনপি সরকারকেই দায়ী করে আসছে। তবে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছেন, এটা পুরোপুরিই আদালতের বিষয়।কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নেওয়া হয়কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নেওয়া হয়জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে জড়ানোর কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন ফখরুল।তিনি বলেন, এই মামলার সাথে বেগম জিয়ার কোনো সম্পর্কই নাই, উনি জানতেনও না এই ফান্ড আসছে, এই ফান্ড যাচ্ছে। উনার কোনো সই নাই। ট্রাস্টি বোর্ডে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই, তাকে কি করে আসামি করা যায়? নিম্ন আদালতে যে বিশ্বাস ভঙ্গের কথা বলা হয়েছে, তা কিন্তু প্রমাণ করতে পারেনি। নিম্ন আদালতে রায় দিয়ে দিয়েছেন। আমরা আশাবাদী যে, উচ্চ আদালতে উনি গেট দ্য রিলিজ। গুলশানের কার্যালয়ে যাওয়ার আগে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে দেখে আসেন ফখরুল।