বারবাডোজের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে তার দল বারবাডোজ লেবার পার্টি (বিএলপি) পার্লামেন্টের ৩০টি আসনের সবকটিতে বিজয়ী হয়।দুই লাখ ৮৫ হাজার বাসিন্দার ক্যারিবীয় দ্বীপটিতে এবারই প্রথম কোনো দল পার্লামেন্টের সবগুলো আসন জিতে নিল বলে জানিয়েছে রয়টার্স।  পরাজিত প্রধানমন্ত্রী ও ডেমোক্রেটির লেবার পার্টির (ডিএলপি) নেতা ফ্রন্ডাল স্টুয়ার্ট পরাজয় মেনে নিয়ে মোটলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগের নির্বাচনে ১৬টি আসনে জিতে কোনোরকমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছিল ২০১০ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ডিএলপি।অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় ব্যর্থতা ও ক্রমবর্ধমান করের হারে অসন্তুষ্টির কারণেই দলটি বিএলপির কাছে ধরাশায়ী হয় বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।শুক্রবার নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই শপথ নেন ৫২ বছর বয়সী মোটলি।  তিনি এর আগে বিএলপির ব্রিজটাউনের সদরদপ্তরে সমর্থকদের অভিনন্দন জানান। এটা বারবাডোজের জনগণের বিজয়, উৎফুল্ল কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন সাবেক এ অ্যাটর্নি জেনারেল ও মন্ত্রী।নির্বাচনে বিএলপির এ একচেটিয়া বিজয়ের ফলে পার্লামেন্টে বিরোধী দল বলে কিছুই থাকল না।বৃহস্পতিবারের ভোটে ৩০টি আসনে ৯টি দলের ১৩৫ জন প্রার্থী লড়েছিলেন বলে জানিয়েছে বারবাডোজের ইলেকটোরাল অ্যান্ড বাউন্ডারিজ কমিশন।ডিএলপি নেতা স্টুয়ার্ট নির্বাচনে এমন অভাবনীয় পরাজয়ের জন্য নিজেকেই দায়ী করেছেন।ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র বারবাডোজের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মোটলিকে অভিনন্দন জানিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক দুরবস্থা রোধে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।