দুই সিটির ভোটে এক সপ্তাহ আগে সেনা চায় বিএনপি

সেই সঙ্গে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদকে প্রত্যাহারের দাবি এসেছে দলটির কাছ থেকে।মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এবং চার নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন ভবনে যান।প্রতিনিধি দলের অপর সদস্যরা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, দলের যুগ্ম মহাসচিবমাহবুব উদ্দিন খোকন এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠক শেষে খন্দকার মোশাররফ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে দুই সিটি কর্পোরেশন নিয়ে একগুচ্ছ লিখিত প্রস্তাব দিয়েছি। কমিশন বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনেও বিএনপি সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে স্থানীয় ভোটে সেনা মোতায়েন নিয়ে  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অবস্থান এর বিপরীতে।প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এম নূরুল হুদা নিজেও সম্প্রতি বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি সেনা মোতায়েনের পক্ষে নন।১৫ মে ভোটের দিন রেখে দুই সিটির নির্বাচনের যে তফসিল নির্বাচন কমিশন দিয়েছে, সে অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঠিক হয়েছে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত।সর্বশেষ ২০১৩ সালের নির্বাচনে গাজীপুরে এম এ মান্নান এবং খুলনায় মনিরুজ্জামান মনি বিএনপির মনোনয়নে ভোটে জিতে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তাদের বদলে গাজীপুরে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন হাসানউদ্দিন সরকার; আর খুলনায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু।৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোটার আছেন ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। আর খুলনা সিটির ৩১টি সাধারণ এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ জন।ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডল গাজীপুর সিটি করপোরেশনে এবং খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলী খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন।