টালমাটাল অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরলেন ল্যাঙ্গার

বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে নাস্তানাবুদ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট। দুই অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও কোচ ড্যারেন লেহম্যানকে হারিয়ে গোটা ক্রিকেটব্যবস্থায় এলোমেলো। সেই টালমাটাল অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরলেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার।কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং করেন ক্যামেরন ব্যানক্রফট। সেই দায় স্বীকার করে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ান স্মিথ-ওয়ার্নার। তাদের পদত্যাগে মুষড়ে পড়েন লেহম্যান। কোচের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেন তিনিও।এর পরই শুরু হয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নতুন কোচ খোঁজা। শুরুতে গিলেস্পি, পন্টিংদের নামও শোনা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত লেহম্যানের উত্তরসূরি হিসেবে ল্যাঙ্গারকে বেছে নিয়েছে বোর্ড। আগামী ৪ বছর তিন ফরম্যাটেই স্টার্ক-ম্যাক্সওয়েলদের গুরুর দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।সিএর প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড বলেন, ল্যাঙ্গারকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। লেহম্যানের মেয়াদ শেষ হতো আগামী বছর। এরই মধ্যে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। আমরা সৌভাগ্যবান যে, তার উত্তরসূরিও খুঁজে পেয়েছি। অবশ্য তাকে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা ছিলই।কোচ হিসেবে দারুণ করছেন ল্যাঙ্গার। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও পার্থ সকারের হয়ে গত পাঁচ মৌসুমে ব্যাপক সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। এই সময়ে ৩টি বিগব্যাশ, দুটি ঘরোয়া ওয়ানডে টুর্নামেন্ট শিরোপা জিতেছেন ৪৭ বছর বয়সী ক্রিকেটমস্তিষ্ক।অস্ট্রেলিয়ার কোচের দায়িত্বও পালন করার অভিজ্ঞতা আছে ল্যাঙ্গারের। ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর এবং শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজে স্মিথদের কোচ ছিলেন তিনি।খেলোয়াড় হিসেবেও ল্যাঙ্গারের ক্যারিয়ার বেশ সমৃদ্ধ। ছিলেন মূলত টেস্ট ব্যাটসম্যান। ১৯৯৩ সালের জানুয়ারিতে অজিদের হয়ে অভিষেক হয় তার। এর পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০৫টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। ২৩ সেঞ্চুরি ও ৩০ হাফসেঞ্চুরিসহ করেছেন ৭ হাজার ৬৯৬ রান। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানান বাঁহাতি ওপেনার।