গ্রিজমানের জোড়া গোলে ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন আতলেতিকো

ফ্রান্সের লিওঁর ফাইনালে বুধবার রাতে ৩-০ গোলে জেতে দিয়েগো সিমেওনের দল। শেষ নয় বছরে এই নিয়ে তৃতীয়বার ইউরোপীয় ফুটবলের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো আতলেতিকো। ২০০৯-১০ ও ২০১১-১২ মৌসুমে আগের শিরোপা দুটি জিতেছিল মাদ্রিদের ক্লাবটি।ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো মার্সেই। কিন্তু দিমিত্রি পায়েতের দারুণ থ্রু বল ধরে ১০ গজ দূর থেকে উড়িয়ে মারেন ফরাসি ফরোয়ার্ড ভালেহে। চার মিনিট পর আদিল রামির হাভ-ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে আরেক দফা বেঁচে যায় স্প্যানিশ ক্লাবটি।প্রতিপক্ষের ভুলে ২১তম মিনিটে গোল পেয়ে যায় আতলেতিকো। নিজেদের ডি-বক্সের সামনে গোলরক্ষকের পাস মিডফিল্ডার জাম্বো আগিসা নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হলে গাবি বল ধরে বাড়ান অঁতোয়ান গ্রিজমান। আর দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে নীচু শটে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড।৩১তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মার্সেই। পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক পায়েত। অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নেওয়ার দৃশ্য ফ্রান্সের হয়ে তার বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নকেও ফেলে দিল শঙ্কার মুখে।দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্রিজমান। কোকের পাস ডি-বক্সে পেয়ে কিছুটা এগিয়ে সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে জালে বল পাঠান তিনি।চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গ্রিজমানের এটা ২৯তম গোল।দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর যেন খেই হারিয়ে ফেলে মার্সেই। শুরুতে আশাব্যাঞ্জক ফুটবল খেলা দলটিকে দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয়।   এরই মাঝে খেলার ধারার বিপরীতে ৮১তম মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট হয় তাদের। কন্সতানতিনোস মিত্রোগলুলের অনেকটা লাফিয়ে নেওয়া হেডে বল পোস্টে বাধা পায়।আর ৮৯তম মিনিটে কোকের পাস ডি-বক্সে পেয়ে নিখুঁত কোনাকুনি শটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন আতলেতিকো অধিনায়ক গাবি।নিষেধাজ্ঞার কারণে ডাগআউটে ছিলেন না দিয়েগো সিমেওনে। তবে ম্যাচ শেষের সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসেন মাঠে, যোগ দেন শিরোপা উৎসবে। ২০১২ সালে তার অধীনেই এই প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় শিরোপাটি জিতেছিল আতলেতিকো মাদ্রিদ।