উন্নয়নের জন্য হাসিনাকেই চাই: আওয়ামী লীগ

পঁচাত্তর ট্রাজেডির পর শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের দিনটিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তারা এই মন্তব্য করেন।৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গণভবনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা নতুন নেতৃত্ব খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।সেখানে আপত্তি জানানোর পর আলোচনা সভায় বক্তব্যেও আওয়ামী লীগ নেতাদের কণ্ঠে ছিল একই সুর।দলটির প্রবীণ নেতা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, "বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার বাইরে কোনো অর্জন এই দেশের মানুষের, এই জাতির হয়নি। বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। প্রবীণ আরেক নেতা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, "নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে আওয়ামী লীগ পরিচালনা করছেন শেখ হাসিনা। স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধ তিনি পুনরুদ্ধার করেছেন।  আগামী নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আবার প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ।"দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, " সমস্ত কালিমাকে দূর করে, ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী আরও অনেক দিন বাংলাদেশকে, দেশের মানুষকে পথের আলো দেখিয়ে যাবেন, এই হোক আজকের অঙ্গীকার। সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বলেন, "তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অগ্রগতির বজায় রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, খালি কলসী বাজে বেশি, ভরা কলসী বাজে না। জনগণ বিএনপিকে আন্দোলনে এবং নির্বাচনে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি মিথ্যাচারের ভাঙা রেকর্ড বাজায়। এই মিথ্যাচার করতে করতে এক সময় দলটি গভীর খাদে চলে যাবে। আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, মাহাবুব-উল আলম হানিফ এই সভায় বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিক আবেদ খান, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেনও বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানে।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম, মোজাফফর হোসেন পল্টু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন, আবদুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, রমেশ চন্দ্র সেন সভায় উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।