ঈদ আনন্দে ভোটের আমেজে অধিকাংশ রাজনীতিক এলাকায়

এবারের ঈদ রূপ নিচ্ছে নির্বাচনী আমেজে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢেউ আছড়ে পড়ছে ঈদের আনন্দে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, মাঠের বিরোধী দল বিএনপি ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির বর্তমান ও সাবেক এমপি মন্ত্রী ও সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এবার নিজ নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করছেন। অনেকে ইতিমধ্যেই এলাকায় চলে গেছেন। তাদের পদচারণায় মুখর ঈদ রাজনীতি। আজ শুক্রবার জুমআতুল বিদায় ‘ভোটের কোলাকুলি’ শুরু করবেন তারা। চলবে ঈদের পরের কয়েকদিন। জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঢাকায় নেতাকর্মী, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচিত সরকারের আমলে প্রথমবারের মতো কারাগারে ঈদ করবেন। ঈদের দিন পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন। এছাড়া দলের সিনিয়র নেতারা সাক্ষাৎ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে। অনুমতি পেলে তারা চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করবেন।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিজ এলাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের নির্দেশ দিয়েছে দলগুলোর হাইকমান্ড। তারা নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের মন জয়ে ব্যস্ত। ক্ষমতাসীনরা সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন তুলে ধরছেন তেমনি সরকারের নানা দুর্নীতি, অনিয়ম তুলে ধরছে বিএনপি। নির্বাচনী আমেজে গ্রামীণ অর্থনীতিও এবার বেশ চাঙ্গা। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গরিবদের মধ্যে জাকাতের কাপড় বিতরণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবি সংবলিত বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন মোবাইল এসএমএস দিয়ে তাদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।আওয়ামী লীগ : ক্ষমতাসীন আ’লীগের অধিকাংশ নেতাই ঈদুল ফিতর পালন করবেন নিজ এলকায়। আ’লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথারীতি তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ঈদ করবেন। সকালে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করবেন।আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঈদ করবেন। নামাজ আদায় করবেন কোম্পানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে। দলের উপদেষ্টা ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ঈদ করবেন নির্বাচনী এলাকা ঝালকাঠিতে। এক সপ্তাহ ধরে তিনি তার এলাকায় ঈদসামগ্রী বিতরণ করেছেন। উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদও ঈদ করবেন তার নির্বাচনী এলাকা ভোলায়। তিনিও ছুটির দিনগুলোতে এলাকায় গিয়ে ঈদসামগ্রী বিতরণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এসেছেন। তিনি সবসময়ই গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করেন।প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ঈদে ঢাকায় অবস্থান করবেন। গত সপ্তাহ এবং তার আগের সপ্তাহেও তিনি এলাকায় ছিলেন। যাবেন ঈদের পরেও। কৃষিমন্ত্রী যুগান্তরকে বলেন, এলাকায় দুই দফায় ৬ দিন অবস্থান করেছি। নেতাকর্মী-সমর্থক শুভানুধ্যায়ীসহ সবপর্যায়ের মানুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। নির্বাচনী এলাকার প্রতিটা ইউনিয়নে গিয়েছি।প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ ঈদ করবেন তার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরে। গত ১০ দিন ধরে তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন। ঈদ করে ঢাকায় ফিরবেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান ঈদ করবেন ঢাকায় তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। তিনি বলেন, আমি বরাবরই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ঈদ করি। কিন্তু ঈদের আগে পরে এলাকায় থাকি। এবারও আমার নির্বাচনী এলাকায় জাকাতের কাপড় বিতরণসহ যা যা করা দরকার, করে এসেছি। নেতাকর্মী-সমর্থক এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এসেছি।সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ঈদ করবেন ঢাকায়। ঈদের আগে এলাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করে এসেছেন। ঈদের পরে যাবেন।যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরে ঈদ করবেন। আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। দফতর সম্পাদক ড. আবদুুস সোবহান গোলাপ ঈদে তার এলাকা মাদারীপুরে যাবেন। সেখানকার নেতাকর্মী ও জনগণের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন তিনি। দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী তার নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরে ঈদ কাটাবেন। নিজে অন্য ধর্মাবলম্বী হলেও মুসলমান ভাইদের উৎসবে সর্বোচ্চ সাধ্য নিয়ে শামিল হবেন। বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ঈদ করবেন তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকাতেই। ইতিমধ্যে ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মী-সমর্থক এবং সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তিনি।সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম মাদারীপুরে, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জয়পুরহাটে, একেএম এনামুল হক শামীম শরীয়তপুরে ঈদ করবেন। সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ঈদ করবেন ঢাকায়।কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ বরিশালে, আমিরুল আলম মিলন বাগেরহাটে, এসএম কামাল হোসেন খুলনায়, অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার নরসিংদীতে, ইকবাল হোসেন অপু শরীয়তপুরে, আনোয়ার হোসেন মাদারীপুরে, মারুফা আক্তার পপি জামালপুরে, রেমন্ড আরেং নেত্রকোনায় ঈদ করবেন। এছাড়া আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের অধিকাংশই নিজ নিজ এলাকায় ঈদ করবেন বলে জানা গেছে।বিএনপি : প্রতি বছর ঈদের দিন কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু এবার তাকে কারাগারে একাকী ঈদ করতে হচ্ছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়ে বর্তমানে বিশেষ কারাগারে আছেন তিনি। চেয়ারপারসনকে ছাড়াই দলের নেতারা এবার ঈদ করবেন। ঈদের দিন নেতাকর্মীদের নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারকরা শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। বিগত কয়েক বছর ধরেই স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে ইংল্যান্ডে ঈদ উদযাপন করেন বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এবারও সেখানেই ঈদ করবেন।চেয়ারপারসন কারাগারে থাকায় এবার ঢাকায় ঈদ করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতি বছর তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদ পালন করেন। এদিকে বিএনপির সিনিয়র, মাঝারি ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাই এবারও তাদের নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন বলে জানা গেছে।জানতে চাইলে ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কামাল জামান যুগান্তরকে বলেন, সামনে যেহেতু নির্বাচন। তাই এবারের ঈদ একটা ভিন্ন আঙ্গিকে উদযাপন করতে হচ্ছে। এবার সব প্রস্তুতিই একটু বেশি। ঈদের দিন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করব।সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঢাকায় ঈদ করবেন। ঈদের পরের দিন তিনি নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লায় যাবেন। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঈদ করবেন। কয়েকদিন আগেই তিনি এলাকায় চলে গেছেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম যশোরে, ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে ঈদ করবেন। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঈদের দিন সকালে তার নির্বাচনী এলাকা কেরানীগঞ্জে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে এবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েই ঈদ করতে হবে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কার্যালয়ে অবস্থান করছেন তিনি।স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ঢাকায় ঈদ করবেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ঢাকায় ঈদ করবেন- এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, এনাম আহমেদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, মো. শাহাব উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ ঢাকায় ঈদ করবেন। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ অনেকেই ঢাকায় ঈদ করবেন।চট্টগ্রামে নিজ নির্বাচনী এলকায় ঈদ করবেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খন্দকার, এসএম ফজলুল হক, মাহবুবুর রহমান শামীম, কাদের গনি চৌধুরী। ঢাকায় ঈদ করবেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীতে ঈদ করবেন যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতা শওকত মাহমুদ কুমিল্লায়, মজিবুর রহমান সরোয়ার বরিশাল, হারুনুর রশিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহ, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন সিলেটে, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোরে, তাইফুল ইসলাম টিপু নাটোর, আমিরুল ইসলাম খান আলীম সিরাজগঞ্জ, মাহবুবুল হাসান ভূইয়া পিংকু ফরিদপুরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ করবেন।মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন, অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, ফরহাদ হোসেন আজাদ, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, আবদুল মতিন, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, এম আমিনুল ইসলাম, আবদুল আউয়াল খান, মোস্তফা খান সফরী, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, শহীদুল্লাহ ইমরান, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ইশতিয়াক আহম্মেদ নাসির, বিল্লাল হোসেন তারেক নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন। এদের অনেকে ইতিমধ্যেই ঢাকা ছেড়েছেন।কারাগারে ঈদ করবেন যারা : বিগত বছরের তুলনায় এবার কারাগারে ঈদ করা বিএনপির নেতাদের সংখ্যা কিছুটা কম। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেশ কয়েক বছর ধরেই কারাবন্দিদের সঙ্গে ঈদ করছেন। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী এবারও কারাগারে ঈদ করবেন।জাতীয় পার্টি : সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গুলশান আজাদ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। পরে তিনি তার বনানী অফিসে গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বর্তমান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও ঢাকায় ঈদ করবেন। দলটির আরেক কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরও ঢাকায় ঈদ করবেন। ঈদ আনন্দের অংশ হিসেবেই তারা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ করবেন।জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রহুল আমিন হাওলাদার জানান, তিনি তার নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-১ আসনের মানুষের সঙ্গে ঈদ করবেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যরিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু ঈদ করবেন চট্টগ্রামের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায়। প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ঈদ করবেন কিশোরগঞ্জে। সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা ঈদ করবেন নির্বাচনী এলাকা রংপুরে।ঢাকায় ঈদ করবেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তার দলের মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান ঈদ করবেন ঢাকায়। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ঈদ করবেন ঢাকায়। ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা ঈদ করবেন তার নির্বাচনী এলাকা রাজশাহীতে।