আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল অসুস্থ

মঙ্গলবার ফেইসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দি থাকতে থাকতে আমি আজ উল্লেখযোগ্য ভাবে অসুস্থ।  আমার হার্টে ৮ টা ব্লক ধরা পড়েছে, এবং বাইপাস সার্জারি ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব না মাঝখানে কিছুদিন তিনি রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে চারদিন সিসিইউতে ভর্তিও ছিলেন বলে জানান তিনি।তিনি জানান, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই তার হার্টের বাইপাস সার্জারির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য বা শিল্পী, বন্ধু-বান্ধব সাহায্যও তার দরকার নেই বলে জানান।বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে বুধবার রাতে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল গ্লিটজকে বলেন, স্ট্যাটাসের বিষয়টি সত্য। আমি এখন মোটামুটি সুস্থ আছি। গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রচারের পর প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধিও খবর নিতে এসেছেন। শুভানুধ্যায়ীরাও খবর নিতে আমার বাসায় এসেছেন। পোস্টটির কমেন্টবক্সে তার সহশিল্পীসহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার আরোগ্য কামনা করেছেন।সংগীত শিল্পী এসআই টুটুল লিখেন, অনেক অনেক দোয়া। হে দয়াময়, তুমি সব পারো সবই পারো তুমি চাইলেই ভাল করে দিতে পারো, ভাল করে দিও গো মালিক। আরেক সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন লিখেন, আমরা আছি পাশে বুলবুল ভাই। কেউ থাকুক বা নাই থাকুক। আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করি। ফেইসবুক পোস্টটিতে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল উল্লেখ করেন, আমি এখন ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারায় গৃহবন্দী থাকি, একমাত্র সন্তানকে নিয়ে। এ এক অভূতপূর্ব করুণ অধ্যায়। কারণ হিসেবে লিখেন, সরকার এর নির্দেশেই ২০১২ তে আমাকে যুদ্ধাপরাধীর ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় সাক্ষী হিসাবে দাঁড়াতে হয়েছিল।  সাহসিকতার সাথে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হয়েছিল ১৯৭১ এ ঘটে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলখানার গণহত্যার সম্পুর্ন ইতিহাস। আর, ওই গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া ৫ জনের মধ্যে আমিও একজন। হত্যা করা হয়েছিল একসাথে ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে। কিন্তু, এই সাক্ষীর কারণে আমার নিরপরাধ ছোটো ভাই মিরাজ হত্যা হয়ে যাবে এ আমি কখনওই বিশ্বাস করতে পারিনি। সরকারের কাছে বিচার চেয়েছি, বিচার পাইনি।